কলকাতা: তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে ক্ষমতায় বিজেপি (BJP)। এহেন আবহে সোশ্যাল পোস্টে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের

Continues below advertisement

আরও পড়ুন,  হেরেও ইস্তফায় 'নারাজ' মমতা, এবার কোন পথে এগোবে BJP ?"

Continues below advertisement

প্রসঙ্গত, রাজ্য রাজনীতির চর্চায় একাধিকবার তাঁর নাম উঠে আসতে দেখা গিয়েছে। একদিকে বঙ্গ রাজনীতি, অপরদিকে কেন্দ্রীয় স্তর। গুঞ্জনের শুরু একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। সেখানে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ছবি দিয়ে সোশ্যালে পোস্ট করেছিলেন তিনি।  এরপরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, তবে কি ? ..মূলত সম্প্রতি পদ্মশ্রী পাওয়ার পর প্রসেনজিতের বাসভবনে গিয়েছিলেন বিজেপির হেভিওয়েট সুকান্ত মজুমদার। যা  নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। 

একদিকে টলিপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছিল, তা নিয়ে চাপা ক্ষোভ ছিল। নানা ঘটনার মধ্যে দিয়ে খণ্ড খণ্ড ভাবে তা উঠে এসেছে। কাজ করতে না দেওয়া বা কাজ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন খোদ পোড় খাওয়া পুরনো শিল্পীরাই। তখন তৃণমূলেরই দাপট গোটা টলিউড ইন্ড্রাস্ট্রিতে বলে অভিযোগ বারবারই কানাঘুষো শোনা গিয়েছে। এরমধ্যে সেসময় কিছু অভিনেতা তথা শাসকবিরোধী ( তৎকালীন ছাব্বিশের ভোটের আগে) দলের শীর্ষ নেতাও পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। যদিও বিষয়টা খুব একটা আড়ালে আবডালে ছিল না। কারণ টলিউডে বেকারত্বের বিষয়টা, রাজ্যের আর দশটা বড় বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছিল।

কারণ টলিপাড়ায় অভিনেতা-পরিচালকদের একাংশ ততদিনে একুশের নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ীও হয়েছিল। তাই উপরে উপরে যতই গলাগলি সম্পর্ক থাক না কেন, নানা সাক্ষাৎকারে সেই কাজ না পাওয়ার 'যন্ত্রণা' বারবার উঠে আসছিল। এই আবহে বড় বিষয় ছিল ছাব্বিশের নির্বাচন। যেখানে ঘাসফুলের পাশাপাশি গেরুয়া শিবিরেরও প্রার্থী পদে দাঁড়িয়েছিলেন এই টলিপাড়া থেকেই। ভোটের আগে সেই 'আশীর্বাদ' এর ফোনটাই কি গিয়েছিল কারোও কাছে ? 

মূলত এদিন প্রসেনজিৎ (Actor Prosenjit Chatterjee) লিখেছেন, আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সাথে অভিনয় করে আসছি এবং আগামীদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে, আমার একটাই বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার গায়ে কোনও রাজনৈতিক রং লাগাবেন না। আমি কাউকে ফোন করিনি। বরং আমার ছোট ভাই, ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে, কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য। আর আমি কেবল সেইটুকুই পালন করেছি। এর সাথে রাজনীতির কোনও যোগসূত্র নেই।'