কলকাতা : শুধু বুথ নয়, বুথমুখী রাস্তাতেও থাকবে CC ক্যামেরা (West Bengal Assembly Election 2026)। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সিদ্ধান্ত কমিশনের (Election Commission of India)। ঘিঞ্জি এলাকায় বুথমুখী রাস্তাতেও থাকবে CC ক্যামেরা। কলকাতা ও হাওড়ায় বুথমুখী রাস্তাতেও থাকবে CC ক্যামেরা, খবর কমিশন সূত্রে। ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গের ৭ জেলার ১৪২ আসনে সেদিন ভোট গ্রহণ করা হবে। আর ভোটের গণনা আগামী ৪ মে।
দক্ষিণবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে, উত্তরবঙ্গ সহ বিভিন্ন জেলা থেকে ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে ভোটকর্মী হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের কাছে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার, বিভিন্ন পদে ভোটের দায়িত্ব সামলাবেন ওই ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায়, উত্তরবঙ্গ সহ যে ১৬ জেলায় ভোট হয়ে গেছে, সেই সব জেলা থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ভোটকর্মী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে।
দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যে কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতায় থাকবে কত পরিমাণ সেন্ট্রাল ফোর্স
জানা গিয়েছে, ভোটের ময়দানে দ্বিতীয় দফায় মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকতে চলেছে। প্রথম দফার নির্বাচনের মতোই দ্বিতীয় দফাতেও নিরাপদে ভোট করাতে কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। নজরদারি চালাবেন ১৪২ জন জেনারেল অবজার্ভার, ৯৫ জন পুলিশ অবজার্ভার। শুধুমাত্র কলকাতার জন্য মোতায়েন থাকছে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের জন্য, মোতায়েন থাকবে ২ হাজার ৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। সবচেয়ে বেশি বাহিনী থাকবে কলকাতায়। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় ঘুরে ঘুরে বৈঠক করছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও স্পেশাল পুলিশ অবজার্ভার।
দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪ দিন আগে ফের পুলিশে বদলি। এবার সরানো হল কালীঘাট ও আলিপুর থানার OC-কে। কালীঘাট থানার অ্যাডিশনাল OC-কেও বদলি। সরানো হল উল্টোডাঙা মহিলা থানার OC-কেও। দ্বিতীয় দফার ভোট ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। আজ ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বৈঠকে কমিশন। বৈঠকে থাকবেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসাররা। এবার প্রথম দফা নির্বাচনে পড়েছে ৯৩ শতাংশের বেশি ভোট। আর ২০২১-এর তুলনায় এবার প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ২১ লক্ষ বেশি ভোটার। এই পরিসংখ্যানে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবিরই। কিন্তু আখেরে এতে কার লাভ হল তা জানা যাবে আগামী ৪ মে।
