কলকাতা: আজ দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। এখনও পর্যন্ত ৩৬ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি। ৩২ লক্ষের মধ্যে নাম বাদ ৪০ শতাংশের। আর কত নাম ডিলিট?  মোট ভোটারের ১১%-এরও বেশি নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনা আছে।  ২০২৫ সালের অক্টোবর অবধি এরাজ্য়ে ভোটার সংখ্য়া ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। ১৬ ডিসেম্বর SIR-এর প্রথম খসড়ায় ৫৮ লক্ষ নাম বাদ যায়। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আরও প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ নাম বাদ যায়। তারপর আবার ১ লক্ষ ৮২ হাজার নাম তালিকায় ঢোকে। ফলে ভোটার সংখ্য়া দাঁড়ায় ৭ কোটি সাড়ে ৫ লক্ষের কাছাকাছি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, শেষ অবধি ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম থাকবে না তাঁরা ট্রাইব্য়ুনালে আবেদন করতে পারবেন, কোন কোন ধাপে এগিয়েছে এই কাজ?

Continues below advertisement

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় এখনও অবধি ৩২ লক্ষের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্য়ে প্রায় ৪০ শতাংশের নাম বাদ গেছে, অর্থাৎ প্রায় ১৩ লক্ষ। এখনও ২৮ লক্ষের নিষ্পত্তি বাকি। এই হারে নাম বাদ গেলে আরও প্রায় ১১ লক্ষের নাম বাদ যেতে পারে। ফলে মোট প্রায় ২৪ লক্ষ নাম বাদ যাবে। সেক্ষেত্রে এরাজ্য়ে মোট ভোটার সংখ্য়া হওয়ার কথা প্রায় ৬ কোটি ৮০ লক্ষ। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে মোট প্রায় ৮৬ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। তবে এই হিসেব শেষ অবধি কী দাঁড়ায়, সেটাই এখন দেখার।

বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, আরও ৪ লক্ষের নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে ১৩ লক্ষের পর নতুন করে কত নাম বাদ গেছে, সেবিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। এখন প্রশ্ন উঠছে, শেষ অবধি ভোটার তালিকা থেকে কত নাম বাদ পড়বে? সংখ্য়াটা ১ কোটি কি পেরোবে? কার ভবিষ্য়দ্বাণী সঠিক প্রমাণিত হবে? তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী   মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এরা আগে বলেছিল কী? ১ কোটি ২০ লক্ষ নাম আমরা বাদ দেব। ৫৮ লাখ প্রথম দফাতেই বাদ দিয়েছে। আর তারপর লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির নামে প্রতিদিন বিজেপির নাম ঢুকিয়েছে, আর অন্যদের নাম কেটেছে। সেখানে ৬০ লাখ। ৫৮ আর ৬০-এ কত হয়? ১১৮। তার মানে কী বিজেপির পার্টি অফিস থেকে প্ল্যান করে তৈরি করে দিয়েছে, যেখানে যেখানে তৃণমূলের সিট, সেখানে নাম কাটো।

রাজ্য় বিজেপি মুখপাত্র  দেবজিৎ সরকার বলেন, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি নির্বাচন কমিশনের সমস্য়া।  মাঝ রাস্তায় SIR-কে ছুটি করিয়ে দিয়ে হঠাৎ করে ভোটে যাওয়া যাবে না। NO SIR, NO VOTE, SIR শেষ করুন সরকারিভাবে ঘোষণা করুণ SIR আজকে শেষ হল। ফর্ম ৭ এর নিষ্পত্তি হবে, তারপর ভোট হবে। এজন্য যদি সময় লাগে তারজন্য পুরোপুরি দায়ী তৃণমূল কংগ্রেস। বিডিও অফিসে আগুন, BLO-দের ভয় দেখানো, ERO, AERO-দের চমকানো  এগুলো আমরা দেখেছি। বৃহস্পতিবার মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জানায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।