কলকাতা: বেহালা পূর্বে শীলপাড়া এলাকায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026)  বেহালা পূর্ব আসনের বিজেপি প্রার্থী শংকর শিকদারের মনোনয়ন আজ। বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গেই বেহালা শীলপাড়া থেকে ১৪ নম্বর পর্যন্ত রোড শো করবেন শুভেনদু অধিকারী। তার আগে বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বিরোধী দলনেতা বলছেন, 'নন্দীগ্রামেও হেরেছেন, ভবানীপুরেও হারবেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য গ্রেটার বাংলাদেশ', বেহালার সভায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর।

Continues below advertisement

এদিন প্রচারের সভা থেকে বিরোধী দলনেতা বলেন, ''সব কর্মীদের আবেগ ও তাঁদের ঈচ্ছেকে মর্যাদা দিয়ে নেতা নয়, একজন আদর্শ কর্মী ও সংগঠককে আগামী পাঁচ বছর এই এলাকার জনতা জনার্দনের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি শঙ্কর শিকদার মহাশয়কে দিয়েছেন। আমি ওঁনাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। ছয়বার কাজ করেছি একসঙ্গে। ওঁনার বাড়িতেও বিশ্বকর্মা পুজোয় একাধিকবার এসেছি। বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের নানা প্রয়োজনে এই সৎ, আদর্শবান, নিষ্ঠাবান, পার্টিপ্রেমী আপনাদের সঙ্গে থেকেছে ও আপনাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। আমি আশা রাখব আপনারা শঙ্কর শিকদার মহাশয়কে অনেক ভোটে জিতিয়ে চোরেদের এলাকা থেকে এই এলাকাকে রক্ষা করবেন।''

শুভেন্দু আরও বলেন, ''এত কেন ভয় পাচ্ছেন আমায়, বলছেন তো আমার সঙ্গে ১৬ জন লোক। ওঁর দল হারবে, উনি দ্বিতীয় বার হারবেন। নরেন্দ্র মোদি বলে গেছেন, সবার হিসাব হবে। ওঁর চুরি-দুর্নীতি, বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া। সব কিছুর হিসাব হবে ৪ তারিখের পরে। এই এলাকায় প্রত্যেক কাউন্সিলর ও পুলিশের নীচের তলায় যাঁরা সবাই মিল কত পুকুর বুজিয়েছেন বলুন একবার। এখানকার কাউন্সিলর প্রোমোটারকে বাড়িতে ডেকে বলেছিলেন যে ঘনা তো ১৫০ নেয়, আমাকে ৫০ দিবি, আমি সেই ভিডিও ছেড়ে দিয়েছিলাম। কাউন্সিলর বলেছিলেন যে মানহানির মামলা করবে, আমি দু'বছর ধরে অপেক্ষা করছি, কাউন্সিলরের দেখা নেই আর।'' বেহালায় বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে হুঙ্কার বিরোধী দলনেতার। 

Continues below advertisement

এদিকে, এদিনই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘড়ির কাঁটায় সকালে ১০.৪৫ নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটে তিনি আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে পৌঁছোন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন ছিলেন ফিরহাদ হাকিমও। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দেখার জন্য এসেছিলেন বিপুল সংখ্যক মানুষ।