ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা: সামনে বিধানসভা ভোট (West Bengal Assembly Election 2026), আর ভোট মানেই সকাল, বিকেল ছোটাছুটি, প্রচার, বিভিন্ন সভা। এই দৌড় ঝাপের মধ্যে শরীরকে ফিট রাখা একেবারে মাস্ট। তবে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীর খুব একটা ছুঁৎমার্গ নেই। কে তিনি? তিনি কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।  

Continues below advertisement

নিজের ডায়েট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কুণাল ঘোষ জানান, ডায়েটটা তিনি খাবার সময় বাদে বাকি সময়টা করেন। তিনি বলেন, ‘আমি ডায়েট একেবারে ঘড়ি ধরে ধরে করি। মানে আমি ডায়েট করি সকাল আটটার পর ১০.৩০টা অবধি করি। তারপর ১০.৩০টায় ডায়েটটা ভাঙি। আবার শুরু করি ১১টার পর। মানে যে সময়টা আমি খাই, ওই সময়টা আমি ডায়েট করি না। ’  

সারাদিনে অসংখ্য় কাজ। আর কাজের ফাঁকে যখন যা মেলে, সে বিরিয়ানি হোক, বা তেলেভাজা, পাপড়িচাট, যেটা পাওয়া যায়, সেটাই তাঁর পাওয়ার মিল। তবে, খাদ্য় তালিকায় ফল রাখার চেষ্টা করেন, কুণাল ঘোষ। এমনকী এই সাক্ষাৎকার দিতে দিতেও তাঁকে ফল খেতে দেখা যায়। পেপে, আঙুরের মতো ফলগুলি তাঁর বেশ পছন্দের।

Continues below advertisement

তবে ফল খেলেও, এমনি ওসব ডায়েট ফায়েটে, তাঁর খুব একটা আস্থা নেই। ‘মুড়ি, ঘুগনি, চপ, পেঁয়াজি, আলুর চপ, ফিশ ফ্রাই, বিরিয়ানি, যা পাই খাই। ভোজাভুজি, তেল, মশলা, সবই খাই। খালি যেটা হয়েছে সেটা হল আমি এখন খাওয়ার পরিমাণটা কমিয়ে দিয়েছি। মাছের মাথা দিয়ে ছ্যাঁচড়া ভাত দিয়ে মেখে, কুচো মাছ, ছোট মাছের ঝোল যদি হয়ে যায়... আমায় খাদ্যরসিক বললে আমি খুব একটা প্রতিবাদ করব না।’ জানান তিনি।   

      

অর্থাৎ বাড়ির খাবার হোক বা রেস্তোরাঁর খাবার, কিম্বা রাস্তার ধারের ফাস্ট ফুড, সবেতেই তিনি স্বচ্ছন্দ্য়। তবে, শারীরিক কসরতের অভ্য়াস সেভাবে নেই বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থীর। সকাল থেকে লেখালিখি, না না কাজে ব্যস্ত থাকেন তিনি। তবে পা ভাঙার পর থেকে কোমড়, হাঁটু, এসবের নিয়মিত এক্সসারসাইজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই জানান কুণাল ঘোষ।                  

দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল বেলেঘাটা কেন্দ্রে ভোট। মানুষের ভোট কুণাল ঘোষকে কতখানি 'পাওয়ার' দিতে পারল তা জানাতে অপেক্ষা করতে হবে চৌঠা মে পর্যন্ত।