West Bengal Assembly Election 2026: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাগযুদ্ধে জড়ালেন তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক এবং বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। এবার বিধানসভা নির্বাচনে নোয়পাড়া থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অর্জুন সিং। তাঁর সম্পর্কে সম্প্রতি পার্থ ভৌমিক বলেছেন, 'আমি জানি না বিধানসভায় যাঁরা দাঁড়ায়, তাঁরা এরম চোর-পুলিশ খেলে কিনা। অ্যাকচুয়ালি ওর সারা জীবনের সম্পর্ক তো পুলিশ সঙ্গে কারণ ও মস্তানি করেছে। কখনও পুলিশকে ফিট করতে পেরেছে, কখনও পারেনি। বিকাশ বসুর হত্যার দায়ে জেলে ছিল। এ তো সারা বাংলার মানুষ জানে। ৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী কাজ করেছেন সেটা জগদ্দলের মানুষ বলবে। ৫ বছরে সোমনাথ শ্যাম কী কাজ করেছে সেটা ৪ তারিখে জগদ্দলের মানুষ জবাব দিয়ে দেবে। ওর জবাবটা ও ৪ তারিখ পেয়ে যাবে। উনি ব্যারাকপুরে লোকসভা জেতার ব্যাপারেও আশাবাদী ছিলেন। ব্যারাকপুরের মানুষ বলে দিয়েছেন যে তাঁরা সেখানে গুন্ডা নয়, শান্তি চায়। নোয়াপাড়ার মানুষও বলছে আমরা খুনিকে নয়, সাধারণ মানুষকে চাই, যিনি শান্তি বজায় রাখবেন।' 

Continues below advertisement

পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, '২৬- এ সরকার আসার পর উনি যদি রিজাইন দিয়ে পালিয়ে না যায়, তাহলে যা বলবে মেনে নেব। তখন আমি মেনে নেব যে, বাঘ-শিয়াল কী আছি... মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জল ছিটিয়ে পার্থ ভৌমিককে সাংসদ করেছেন। ৪ মে গণনা হবে। দেখবেন এই সাংসদের কী অবস্থা হবে। ৫ মে রিজাইন দিয়ে পালিয়ে যাবে।' 

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। নোয়াপাড়া থেকে এবারের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। এই নোয়াপাড়া থেকেই এবার তৃণমূলের হয়ে ভোটে লড়বেন তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। তরুণ প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়ে কী ভাবছেন অর্জুন সিং? এবারের ভোট কি আগের তুলনায় হাল্কা নাকি আরও কঠিন মনে হচ্ছে তাঁর? জবাবে অর্জুন সিং বলেছেন, 'তৃণাঙ্কুরকে যদি আমি প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বী শব্দের অপমান। দেখবেন ভোটের আগেই ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাবে। যার বিরুদ্ধে মমতা ব্যানার্জির পুলিশ, ইডি-সিবিআই- এর ব্যাপার নয়, এফআইআর করল যে চাকরি চুরি করেছে, তার পরেও তাকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। কাকে সরিয়ে? মঞ্জু বোসকে, যিনি তৃণমূলের বহু পুরনো কর্মী। মঞ্জুদিকে বেইজ্জত করে, ধাক্কা মেরে সরিয়ে তাকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ওখানকার মানুষ এর সঠিক জবাব দিয়ে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যাচ্ছে। পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তন সামনে আছে। নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন নিশ্চিত। আমি গর্ব করে বলতে পারি আমার ব্যারাকপুরের সাতটা সিটই বিজেপির পক্ষে চলে গেছে।' 

Continues below advertisement