পশ্চিম মেদিনীপুর: প্রচারের শেষ দিনে দাঁতনে ধুন্ধুমার, বিজেপি প্রার্থী আহত। দাঁতনে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে হামলা, গাড়িতে আগুন। বিজেপির মিছিলে হামলা, পরপর বাইকে আগুন। দাঁতন থানার সামনে অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির। বিজেপি প্রার্থী অজিতকুমার জানার সমর্থনে বাইক মিছিলে হামলা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার অভিযোগ তৃণমূলেরও। 

Continues below advertisement

এদিকে,নির্বাচন শুরুর আগেই ভোট হিংসা যেন শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথম দফা ভোটের আগে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা। ভাঙচুর করা হল আরাবুল ইসলামের গাড়ি। ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন  ক্য়ানিং পূর্বের ISF প্রার্থী। পাল্টা ISF কর্মীদের বিরুদ্ধেই মারধরের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। প্রথম দফা ভোটের আগে মঙ্গলবার এভাবেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা।

এদিন জীবনতলায় কয়েকজন ISF কর্মী পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। সেই সময়ে তাঁদের মারধর করেন তৃণমূলের কয়েকজন। খবর পেয়ে এলাকায় যান আরাবুল ইসলাম। অভিযোগ, তখন তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। ঘটনায় সরাসরি তৃণমূল পরিচালিত দেউলি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাফিজুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ISF প্রার্থী। উল্লেখ্য, দোষীদের গ্রেফতারির দাবিতে ঘটকপুকুর মোড়ে প্রায় ২ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করেন ক্য়ানিং পূর্বের ISF প্রার্থী আরাবুল ইসলাম-সহ ISF কর্মীরা।

Continues below advertisement

ভোটের আগে রহস্যমৃত্যু

আর ২ দিন পরেই রাজ্যে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ইসলামপুরে যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল। নাম নুর আজম (২৫)। বাড়ি ইসলামপুরের নেহালপুরে। পরিবারের দাবি, সোমবার সকাল থেকে নিখোঁজ ছিল নুর আজম। বিকেলে বাড়ি ফিরে অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন তিনি। নিজেরই বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করেন। এরপর আচমকা অচৈতন্য হয়ে পড়ায় তাঁকে ইসলামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এদিকে মৃত যুবকের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও ধোঁয়াশা। একদিকে সিপিএম-এর দাবি, তাদেরই দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মৃত যুবক। এমনকী, মনোনয়ন জমা করার দিনও সিপিএম প্রার্থী সামি খানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তিনি। পাল্টা তৃণমূল প্রার্থী কানাইয়ালাল আগরওয়ালের দাবি, নুর আজম তৃণমূলের BLA 2 ছিলেন। যদিও কোনও রাজনৈতিক কারণে খুন হননি তিনি। অন্যদিকে, পরিবারের এক সদস্যের দাবি, সিপিএম-তণমূল কোনও দলের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন না তিনি। ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেই খুন করা হয়েছে তাঁকে।