বালি : 'হয় না...কিছু কাপড়-জামা চৈত্র সেলে বিক্রি হয়, যেগুলো সাধারণত বিক্রি হয় না দোকানে...জোরজবরদস্তি সেগুলো ৪০%, ৫০% ডিসকাউন্টে বিক্রি করা হয়।' বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বালির এ.সি. মাঠে বালির তৃণমূল প্রার্থীকৈলাস মিশ্রর সমর্থনে জনসভা করেন অভিষেক। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রয়েছেন সঞ্জয় কুমার সিং। বালির সভামঞ্চ থেকে বিজেপি প্রার্থীকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, "কৈলাসকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে, বিজেপির এখানে যে প্রার্থী, আমি শুনেছি তিনি হাওড়া মধ্য অর্থাৎ অরূপ রায়ের বিধানসভা কেন্দ্রে ২০২১-এ দাঁড়িয়ে প্রায় ৪৬ হাজার ভোটে হেরেছেন। হাওড়া মধ্য বিধানসভার অন্তর্গত...১৭ নম্বর ওয়ার্ডে থাকেন। আমি খারাপ শব্দ ব্যবহার করব না...মানুষ তাঁর বিচার করবেন। কিন্তু যাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন হাওড়া মধ্যর মানুষ, তাঁকে পাঠিয়ে দিয়েছে বালিতে লড়ার জন্য। হয় না...কিছু কাপড়-জামা চৈত্র সেলে বিক্রি হয়, যেগুলো সাধারণত বিক্রি হয় না দোকানে...জোরজবরদস্তি সেগুলো ৪০%, ৫০% ডিসকাউন্টে বিক্রি করা হয়। যদি কোনও প্রার্থী দু'বার হারেন, তাঁকে এমনিতেই মানুষ জেলা থেকে বহিষ্কার করে দেন। সাধারণত, কী হয় ? এক ক্লাসে যদি ছাত্র দু'বার ফেল করে তাকে টিসি দেওয়া হয়। ট্রান্সফার সার্টিফিকেট। একবার হাওড়া মধ্যতে হেরেছে, আর একবার বালিতে হারবে।"
এরপরই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, "আমি বালির সার্বিক দায়িত্ব-দায়ভার নিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই নির্বাচন শুধুমাত্র তৃণমূলকে জেতানোর নির্বাচন নয়। বিজেপিকে হারানোর নির্বাচন নয়। ৫ বছর ধরে যারা আমাদের অধিকারের টাকা আটকে রেখেছে তাদের যোগ্য জবাব-উচিত শিক্ষা দেওয়ার নির্বাচন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি বিজেপি প্রার্থীকে। আপনার যদি ক্ষমতা থাকে প্রচার যখন করতে যাবেন তৃণমূল কংগ্রেস উন্নয়নের পাঁচালি করে বালির প্রত্যেকটা পরিবারের হাতে আমাদের সরকারের ১৫ বছরের রিপোর্ট কার্ড তুলে দিয়েছে। আগামী তিনদিন প্রচার রয়েছে আজকে নিয়ে। আপনার ক্ষমতা থাকলে একটা মাঠ বেছে নিন, একটা মঞ্চ বাঁধুন...একটা সময় ঠিক করুন। আমি আসব, একদিকে আমি থাকব, আর একদিকে আপনি থাকবেন। ১২ বছর নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায়। বালির জন্য কী করেছে। আর ১৫ বছর মমতা ব্যানার্জির সরকার ক্ষমতায়, বালির জন্য কী করেছে। আমরা যে হিসেব দেব, তার ৫ শতাংশের হিসেব যদি তারা দিতে পারে তাহলে আমি তৃণমূলের হয়ে কোনও দিন ভোট চাইতে আসব না বালিতে।"
