বীরভূম :বীরভূমের নানুরে তৃণমূল বনাম বিজেপি সংঘর্ষ। সিঙ্গি গ্রামে তুমুল উত্তেজনা, মারধরে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী।  বিজেপির এক কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বোলপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছয়  কেন্দ্রীয় বাহিনীও। 

আরও পড়ুন, "টার্গেটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে...এর মধ্যে আমার পরিবারও রয়েছে" ! আচমকা অভিষেকের পোস্ট, যাদের নাম নিলেন..

কী দাবি তৃণমূল প্রার্থী বিধানচন্দ্র মাঝির ?

গ্রামে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারের সময় বিজেপির পতাকা-ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূল প্রার্থীর সামনেই বিজেপি কর্মী মঙ্গল মাঝিকে মারধরের অভিযোগ উঠে এসেছে। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে বোলপুর থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে মিছিল করেছি, এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে বলে জানি না, দাবি তৃণমূল প্রার্থী বিধানচন্দ্র মাঝির।

ঠিক কী হয়েছিল ?

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  বৃহস্পতিবার  নানুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী বিধান চন্দ্র মাঝি সিঙ্গি গ্রামে  নির্বাচনী প্রচারে যায়। বিজেপির অভিযোগ, গ্রামে মিছিল করে ঘোরার সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা বিজেপির পতাকা ও ফেস্টুন ছিঁড়ে দেয়। বিজেপি কর্মী মঙ্গল মাঝি ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে তৃণমূল প্রার্থীর সামনেই তাকে মারধর করা হয় বলে তাঁর দাবি। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই বিষয়ে আহত মঙ্গল মাঝি বলেন, তৃণমূল গুন্ডাদের নিয়ে মিছিল করার সময় বিজেপির ফ্লাগ, ফেস্টুন ছিড়ে দেয়। প্রতিবাদ করতে গেলে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।নানুরে বিজেপি প্রার্থী খোকন দাস অভিযোগ করেন, তৃণমূল প্রার্থী বিধান মাঝি সিঙ্গি গ্রামে প্রচার করতে আসে। ডিজেতে 'খেলা হবে' গান লাগিয়ে বিজেপি ফ্ল্যাগ ছেড়ে হয় এবং কর্মীদের মারধর করা হয়। 

কইদিনে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তেজনা হুগলির খানাকুলে

প্রসঙ্গত, দোরগড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে একাধিক এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুতে তুলকালাম। আজ একইদিনে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে হুগলির খানাকুলে।যে ঘটনায় ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন দুপক্ষেরই অন্ততপক্ষে ৫ জন। সম্প্রতি হোর্ডিং ছেঁড়া নিয়ে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ভবানীপুরে। বিজেপির দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং ছিঁড়ে ফেলেছিলেন তৃণমূলের লোকেরা বলে উঠেছিল অভিযোগ। পাল্টা অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূলও।