Continues below advertisement

রুমা পাল, কলকাতা : রাজ্যে প্রথম দফার ভোট আর মাত্র ৮ দিন পর। তার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সব রকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে বার বার আশ্বাস দিয়েছেনমুখ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রতি বুথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটে রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ কোথাও নিরাপত্তার খামতি রাখতে চাইছে না তারা।  প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়। প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। 

কোন জেলায় কত বাহিনী                              

Continues below advertisement

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির একের জায়গায় একেক রকম বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৪৪ কোম্পানি এবং কালিম্পঙে ২১ কোম্পানি মোতায়েন থাকবে। জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে সর্বাধিক ১৪৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। অন্যদিকে ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় যথাক্রমে ৬১ ও ৭১ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ৮৩ কোম্পানি।         

কোথায় কোথায় বড় বাহিনী               

কমিশন সূত্রে খবর, মালদায় থাকবে ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় মিলিয়ে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে, যা এই অঞ্চলের নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করবে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও খামতি রাখা হচ্ছে না। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি—মোট ৪৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রামে থাকবে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি এবং পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি বাহিনী। বীরভূমে মোতায়েন থাকবে ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। শিল্পাঞ্চল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী। 

সব মিলিয়ে, রাজ্যের প্রথম দফার ভোটকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য, প্রতিটি বুথে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা।