কলকাতা:২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রস্তুতিতে শেষ হল কমিশনের বৈঠক। এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনী-সহ সমস্ত বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক হয়। ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভোটের নিরাপত্তায় যুক্ত সব আধিকারিক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসাররা। বৈঠকে হাজির ছিলেন জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভাররাও। দ্বিতীয় দফার আগে জরুরি বার্তা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।
আরও পড়ুন, কালঘাম ছুটছে প্রচারে, তৃণমূলের তরুণ তুর্কি, হুগলির প্রার্থী দেবাংশুর পাওয়ার মিল কী?
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন,' ..সঙ্গে কথা বললাম। কোনও আশঙ্কা আছে কিনা, ভোটের যে প্রস্তুতি চলছে, তা মূল্যায়ন করলাম। আমরা সবাইকে রিকোয়েস্ট করলাম, যে সুস্থ্য এবং স্বাভাবিকভাবে ভোটিং করবেন আপনারা। ভুয়ো ভোট, ভোট চুরি কোনও কিছু অ্যালাউ করব না। সাধারণ মানুষকে এই রাজ্যে অধিকার (ফিরিয়ে দিতে হবে)..আপনার যে ভোট আছে, সেটা গিয়ে দিয়ে আসুন। আমরা সবাই এখানে বিশ্বাস ফিরিয়ে দিতে এলাম। যান, ভোট দিন। …সকল রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতা করুন। যে আমাদের আটকাবে, অ্যাকশন নেব। প্রত্যেক বুথে আমাদের সিসিটিভি আছে। …বুথে ১০০ মিটারের মধ্যে কেউ ঢুকতে পারবে না। সিআরপিএফ থাকবে। ..সার্টিফিকেট ছাড়া যে খাবার নিয়ে যাচ্ছে, জল নিয়ে যাচ্ছে, কেউ ভিতরে ঢুকতে পারবে না।'
অপরদিকে, পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, ..যে ডিপ্লয়মেন্ট প্ল্যান আছে, কন্ট্রোলরুম অ্যারেঞ্জমেন্ট কী আছে, কমপ্লেন্ট ম্যানেজমেন্ট কী আছে,সবকিছু নিয়েই আলোচনা হয়েছে। এবং সব অফিসারকে বলা হয়েছে, বাহিনীর কী কী দায়িত্ব আছে, কী করবে আর কী করবে না, এক্সপ্লেন করা হয়েছে। কোনও ঘটনা ঘটলে কীভাবে তার রেসপন্স করা হবে, ...এই সব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমাদের যে পুলিশ অ্যারেঞ্জমেন্টের বই আছে, সবাইকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটে, উত্তরবঙ্গ সহ বিভিন্ন জেলা থেকে ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীকে ভোটকর্মী হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের কাছে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসার থেকে পোলিং অফিসার, বিভিন্ন পদে ভোটের দায়িত্ব সামলাবেন ওই ১৬ হাজার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায়, উত্তরবঙ্গ সহ যে ১৬ জেলায় ভোট হয়ে গেছে, সেই সব জেলা থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ভোটকর্মী হিসেবে দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে।
