কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গে দু'দফায় হবে বিধানসভা নির্বাচন। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি কেন্দ্রে ভোট হবে।  মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হবে মাত্র ২ দফায়, যা রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা বটে ! প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল, অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার। ফল ঘোষণা করা হবে ৪ মে, সোমবার।

Continues below advertisement

দুই দফায় ভোটের সূচি

প্রথম দফায়, ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভোট নেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল ভোট হবে বাকি ৭ জেলার ১৪২টি আসনে।

Continues below advertisement

প্রথম দফায় যেসব জেলায় ভোট

২৩ এপ্রিলের প্রথম দফায় ভোট হবে  -

  • কোচবিহারের ৯টি
  • আলিপুরদুয়ারের ৫টি
  • জলপাইগুড়ির ৭টি
  • কালিম্পংয়ের ১টি
  • দার্জিলিংয়ের ৫টি
  • উত্তর দিনাজপুরের ৯টি
  • দক্ষিণ দিনাজপুরের ৬টি
  • মালদার ১২টি আসনে ভোট হবে।                  

একই সঙ্গে এদিন মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার সমস্ত আসনেই প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে।

ইতিহাসে ব্যতিক্রমী নির্বাচন

২০০১ সালে এক দফায় ভোট হওয়ার পর, এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসনিক পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগাম মোতায়েন

এবারের নির্বাচনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগাম উপস্থিতি। সাধারণত ভোট ঘোষণার পর বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কিন্তু এবার ভোট ঘোষণার প্রায় ১৫ দিন আগেই রাজ্যে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী, যা কার্যত নজিরবিহীন । 

২০২১-এর সঙ্গে তুলনা

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সেই তুলনায় এবারের ২ দফার নির্বাচন অনেক বেশি সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হতে চলেছে। সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচন শুধু দফার সংখ্যা নয়, প্রস্তুতি ও পরিচালনার দিক থেকেও এক নতুন নজির গড়েছে। এখন ৪ মে ফলাফলই বলে দেবে রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে।                            

আরও পড়ুন :                 

মোদির ঝালমুড়ি খাওয়া সিদ্ধান্ত আদিবাসী-বিরোধী মানসিকতার প্রমাণ? তৃণমূলের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ