কলকাতা: ঝাড়গ্রামে প্রচারে গিয়ে মোদির ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি এখন সোশ্যালের অলিতে গলিতে। প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া নিয়ে যখন চর্চা তুঙ্গে, ঠিক তখনই পাল্টা ঝালমুড়ি খেতে ও খাওয়াতে নেমে পড়লেন মদন মিত্র। সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্য। মোদি যতবার মুড়ির দোকানে গিয়ে নাটক করবেন, পরের দিন আমরাও সকাল থেকে মুড়ি খেতে থাকব। মুড়ি খেতে খেতে উনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার একটাও রেখেছেন ? প্রশ্ন তুলেছেন মদন মিত্র। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ED-র তলবে হাজিরা দিলেন না I-PAC-এর ডিরেক্টর ঋষি রাজ, কোন পথে এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ?

Continues below advertisement

মদন মিত্রের কথায়, 'উনি যতবার এই মুড়ির দোকানে গিয়ে নাটক করবেন, পরের দিন থেকে আমরাও মুড়ির দোকানে গিয়ে মুড়ি খেতে থাকবো। এই যে মুড়ি মুড়ি খেতে উনি বললেন, যে প্রতিশ্রুতিগুলি, ২ কোটি চাকরি , ১৫ লাখ ক্যাশ , তিন হাজার করে ব্যাঙ্কে, আজ পর্যন্ত একটাও সত্যি কিছু হয়েছে ? মুড়ি খেতে খেতে আবার মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, কিন্তু তৃণমূল যা বলে, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় না।' 

মূলত গতকাল ছিল প্রথম দফা ভোটের আগে  শেষ হাইভোল্টেজ রবিবার। গতকাল ৪ জা.য়গায় সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আর ঝাড়গ্রামে সভা করতে গিয়ে এক দোকানে নিজে গিয়ে টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি কেনেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি পোস্ট করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় মহিলা থেকে শুরু করে দলীয় কর্মীরাও সেই ছবি তুলেছেন। দোকানির সঙ্গে হেসে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। সবমিলিয়ে প্রচারে বেরিয়ে মোদির এই ঝালমুড়ি খাওয়ার ছবি এখন ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। 

তবে বাংলার রাজনীতি ঝালমুড়ির টুইস্ট কিন্তু এই প্রথম নয়, বাংলায় জলখাবারে ঝালমুড়ির মাহাত্ব আগে থেকেই ছিল। সেই মহিমা আরও বাড়িয়ে দেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা। তবে নানা রূপে ফিরে এসেছে এই ঝালমুড়ি বা কখনও শুধুই মুড়ি। মূলত একুশের ভোটের ঠিক পরের বছর, বাইশ সালের শুরুর দিকে জিএসটি বৃদ্ধির প্রতিবাদের ইস্যুতে কেন্দ্রকে তুলোধনা করেছিলেন।  সভাতেই হাতে হাতে মুড়ি বিলি করেছিলেন। ওই বছরই আবার  কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গে মমতার মন্তব্যে বিতর্ক ছড়িয়েছিস। মূলত তিনি বাংলার বেকার যুব সম্প্রদায়কে, চা, তেলেভাজা, ঘুঘনি বানিয়ে বিক্রির পরামর্শ দিয়েছিলেন। এরপরেই বিধানসভার বাইরে মমতার মন্তব্যে প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়করা ঘুঘনি ও ঝালমুড়ি বিক্রি করেছিলেন।