কলকাতা: ভোটের আগে এবার মৎস্যপালন ইস্যু তুলে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়লেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, কাতার যাচ্ছেন ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী, LPG নিয়ে বড় আপডেট ?

Continues below advertisement

নির্বাচনী প্রচারে এদিন মোদি শাসকদলকে তোপ দেগে বলেন, 'বাংলা মৎস্যপালনে আত্মনির্ভর নয়। এখনও বাইরের রাজ্য থেকে মাছ আনাতে হবে বাংলাকে। ১৫ বছরের শাসনে বাংলাকে মাছ পর্যন্ত দিতে পারেনি, বাইরের রাজ্য থেকে আনতে হবে, এটাই তৃণমূলের দুর্নীতি। গত ১১ বছরে ভারতে মৎস্য উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। সি-ফুড দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশে সফল। কিন্তু পশ্চিমবাংলায় হয়নি। তৃণমূলের পাপের কারণেই হয়নি। বিহারে মৎস্য উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। বাইরে থেকে মাছ আনাতে হয় না আর বিহারকে। ভিন রাজ্যে মাছ এক্সপোর্ট করে বিহার। অসমও নিজের রাজ্যের মাছের চাহিদা পূরণ করে অন্য রাজ্যে মাছ পাঠায়। মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রের প্রকল্প লাগু করতে দেয় না রাজ্য।' এদিন পাল্টা মমতা বলেন, 'ইলিশ মাছ আগে পাওয়া যেত না। বাংলাদেশের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হত। ২০১৯ সালে ডায়মন্ডহারবারে রিসার্চ সেন্টার হয়েছে। এখন ঢালাও ইলিশ মাছ পাওয়া যায়। চুনোপুঁটি পাওয়া যায়। হায়দরাবাদ থেকে মাছ আনতে হয় না।মৎস্যজীবীরা যাতে ভালো থাকে, এটা খেয়াল রাখে বাংলা। মৎস্যজীবীদের আলাদা কার্ড করে দেওয়া হয়েছে।' 

মোদি এদিন বলেন, 'সিন্ডিকেটের গুন্ডারাজ, কাটমানি ও কমিশন ছাড়া কিছু চলে না। কারখানাতেও সিন্ডিকেটের গুন্ডারাজ, ভয় দেখানো চলছে। এই ভরসা শুধু বিজেপিই দিতে পারে। যে যে রাজ্যে বিজেপির সরকার, সেখানে উন্নতি এটাই প্রমাণ করে যে বাংলায় এমনই উন্নতি হবে, ভয়কে বিদায় দেওয়া হবে। পশ্চিমবাংলার যুবকদের সঙ্গে যা করেছে তৃণমূল, ১০০ বছরেও তা পূরণ করতে পারবে না। প্রাইভেট সেক্টরে চাকরি নেই, যা ছিল তা অনুপ্রবেশকারীদের দিয়ে দিয়েছে। সরকারি চাকরি তৃণমূলের মন্ত্রীরা লুঠ করেছে।'

 পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, 'ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দিচ্ছে তৃণমূল, শুধু ভোটব্যাঙ্কের জন্য। আদালত বারবার তা খারিজ করে দিচ্ছে, কিন্তু এবার কোর্টের নির্দেশ মানে না। কোর্টে গিয়ে তৃণমূল বারবার একই দাবি করছে। কিন্তু মাহিষ্য সমাজের জন্য কোনও সংরক্ষণ নেই। যার যা অধিকার, তা তাকে পাইয়ে দেবে মোদি সরকার, এটাই মোদির গ্যারান্টি। তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বিজেপি বন্ধ করবে। সরকারি চাকরি নির্দিষ্ট সময়ে হবে, এবং সব চাকরি দুর্নীতিমুক্ত হবে, কোনও কাটমানি নয়, এটা হবে বিজেপির আমলে'