রুমা পাল, কলকাতা:দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) মুখে পুলিশকে (West Bengal Police) শাসিয়ে গ্রেফতার পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) তৃণমূল নেতা (TMC Leader)। পুলিশকে শাসানোর অভিযোগে গ্রেফতার বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকত। 

Continues below advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, গত ২৪ মার্চ বর্ধমান থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ান তৃণমূল নেতা। এমনকী পুলিশকে শাসাতেও দেখা যায় কাউন্সিলর নাড়ুগোপাল ভকতকে, ক্যামেরাবন্দি হয় গোটা ঘটনা। গতকাল পূর্ব বর্ধমান জেলায় পরিদর্শনে আসেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সূত্রের খবর, CEO-র কড়া নির্দেশের পরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে। 

অন্যদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে বাড়ছে হুমকি-হুঁশিয়ারির রাজনীতি। এবার নারায়ণপুর থানার IC-কে 'শাসানি' তৃণমূল প্রার্থীর, ভিডিও ভাইরাল। ২ তৃণমূল কর্মীকে পুলিশের পাকড়াও করা নিয়ে গোলমালের সূত্রপাত। অভিযোগ, খবর পেয়ে নারায়ণপুর থানায় চড়াও হন তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। এ বিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Continues below advertisement

বাইক নিয়ে হুমকি?

এদিকে ডায়মন্ড হারবারে বাইক নিয়ে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। ভিডিও সামনে এনেছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক ধারায় রুজু হয়েছে মামলা। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ডায়মন্ডহারবারে ভোটের আগে  দুষ্কৃতীদের একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে। অন্যদিকে কসবার বাইক মিছিলের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছে তৃণমূল।        

পাশাপাশি বাইক দাপট রুখতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গেল নির্বাচন কমিশন। আজ বেলা ১২টায় এ নিয়ে হবে শুনানি। বাইক নিয়ে হাইকোর্টের একক বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা করল কমিশন। এর আগে বাইক-বিধি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন। এর আগে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে বলা হয়, ভোটের ১২ ঘণ্টা আগে থেকে কড়া হবে বাইক বিধি। বিশেষ কারণ ছাড়া নেওয়া যাবে না সওয়ারি, নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের। কমিশনের আগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে নতুন নির্দেশ দিল আদালত। বাইক-বিধি নিয়ে গতকালের মতো এদিনও হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল নির্বাচন কমিশন।