কলকাতা : ১৫ বছর পরে পশ্চিবঙ্গে ফের পালাবদল। এই  প্রথম এই রাজ্যে সরকারে এল বিজেপি ( BJP )।  ১৫ বছরের তৃণমূল-শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যজুড়ে গেরুয়া সুনামি ঘটল। ২০২১-এর পর ২০২৬-এও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ধরাশায়ী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার ঠিক পরই  রাজ্য ও কলকাতার পুলিশবাহিনীকে ধন্যবাদ জানালেন শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। ফলঘোষণার পরদিনই বড় বার্তা দিলেন রাজ্যবাসীকে। সোশ্যাল পোস্টে মানুষকেও ধন্যবাদ জানালেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজয়ী প্রার্থী। 

Continues below advertisement

শুভেন্দু লিখলেন, 'প্রণাম পশ্চিমবঙ্গবাসী  পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টিকে বিপুল সমর্থন দেওয়ার জন্য ও যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির নেতৃত্বে ভরসা রাখার জন্য আপনাদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এই জয় প্রত্যেক দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রবাদীর জয়, প্রত্যেক বিজেপি কার্যকর্তার জয়। বিজেপির অঙ্গীকার এক উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গ। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। সকলকে সাথে নিয়ে আমরা গড়ে তুলবো একটি সুস্থ, সুন্দর ও উন্নত রাজ্য। রাজ্যবাসীর সেবা করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিধানসভা নির্বাচনের এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মচারী বৃন্দ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জানাই বিশেষ কৃতজ্ঞতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির নেতৃত্বে এক বিকশিত ও আত্মনির্ভর পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলাই আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। 

অন্যদিকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে হিংসা এড়াতে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।  সংস্কৃত শ্লোক উল্লেখ করে  দিলে অহিংসার বার্তা। লিখলেন, 'নিরলস পরিশ্রম আর সত্যের পথে চললে যে সাফল্য আসে, তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। এতে শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাসই বাড়ে তা নয়, তার সঙ্গে সঙ্গে মনে শান্তি-তৃপ্তি আনে। শুধুমাত্র শৌর্য বা বীরত্ব দিয়ে কেউ জয়ী হন না। বরং সত্য ও অহিংসা, ন্যায় ও নিষ্ঠাবান প্রচেষ্টার মাধ্যমেইই প্রকৃত সাফল্য অর্জিত হয়।'  অন্যদিকে অমিত শাহ বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভবানীপুরের মানুষকে। এক্স পোস্টে বাংলাতেই লিখেছেন, ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ। তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: শেষ হয়েও হল না শেষ, পুনর্গণনা চলছে রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রে, এখনও পর্যন্ত এগিয়ে তৃণমূলের তাপস চট্টোপাধ্যায়