দুর্গাপুর : দুর্গাপুরের বুদবুদ থানার মানকরে নাকা চেকিংয়ে উদ্ধার ১০ লক্ষেরও বেশি টাকা। ২ ব্যক্তির থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা। এক জনের কাছে মিলেছে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। আরেকজনের থেকে কাছে মিলেছে ৮ লক্ষ টাকা। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে টাকা গোনার কাজ হয়। এত পরিমাণ টাকা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ। টাকা উদ্ধারের বিষয়টি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনকেও। ভোটের আবহে কেন এত টাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। 

Continues below advertisement

শীতলকুচিতেও নাকা চেকিংয়ের সময় উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নগদ। কোচবিহারের সিতাই-শীতলকুচি সীমান্তে নাকা চেকিং করছিল শীতলকুচি থানার পুলিশ, সেই সময়ে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা নগদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, যথার্থ কারণ না দেখাতে পারায় বাজেয়াপ্ত করা হয় টাকা। ভোটের আগে এত টাকা উদ্ধার হওয়ায় স্বভাবতই উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। কোথা থেকে আসছে এত টাকা, কোথায়ই বা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, কোন কাজেই বা লাগবে এই বিপুল পরিমাণ টাকা? সন্দেহ বাড়ছেই। 

এবার পশ্চিমবঙ্গে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তাতেই ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিংয়ের জন্য ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা কড়া তল্লাশি চালাচ্ছেন। আর এই কড়া নাকা চেকিংয়ের মাধ্যমেই ভোটের আগে দুর্গাপুর এবং শীতলকুচি, ২ জায়গায় উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা। 

Continues below advertisement

এবার পশ্চিবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। সেদিন ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর ৪ মে হবে ভোটগণনা। 

৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যে আসছে আরও ৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রে খবর, এই বাহিনীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মোট ৩০ কোম্পানি CRPF মোতায়েন করা হচ্ছে কলকাতায়। এরপরেই তালিকায় রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। সেখানে ২০ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।তৃতীয় স্থানে রয়েছে কোচবিহার, ওই জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৭ কোম্পানি, মালদায়  ১৫ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদে ১৩ কোম্পানি ও বসিরহাট পুলিশ জেলায় পাঠানো হচ্ছে ১৩ কোম্পানি বাহিনী। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে দু'দফায় এসেছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার আরও ৩০০ কোম্পানি পাঠানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। সূত্রের খবর, ধাপে ধাপে প্রায় আড়াই হাজার কোম্পানি এরাজ্যে মোতায়েন করতে চায় নির্বাচন কমিশন।