West Bengal News : ভোট বড় বালাই। ভোটারদের মনজয় করার জন্য অভিনব কায়দায় প্রচারে নেমেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। ইতিমধ্যেই একাধিক প্রার্থীকে দেখা গিয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে। কেউ জমিতে নেমে চাষিদের সঙ্গে আলু তুলেছে। কেউ বা পথচলতি বৃদ্ধার থেকে ভারী কাঠের বোঝা টেনে তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধে। কোনও প্রার্থী আবার ভোটারদের বাড়ি গিয়ে রান্না করেছেন। 

Continues below advertisement

এবার পশ্চিবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। সেদিন ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় ভোট ২৯ এপ্রিল। সেদিন ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। আর ৪ মে হবে ভোটগণনা। চলছে ভোটের কাউন্টডাউন। জোর কদমে চলছে প্রচার। আর সেই প্রচারে বেরিয়ে কেউ লাঙল টানছেন তো কেউ মশলা বাটছেন। এবার ভোট-প্রচারে বেরিয়ে রান্না করতে দেখা গেল বলাগড়ের তৃণমূল প্রার্থী রঞ্জন ধাড়াকে। এর আগে হুগলির গোঘাটের তৃণিমূল প্রার্থী নির্মল মাজিকেও দেখা গিয়েছে ভোটারের বাড়ি গিয়ে রান্নার কাজে সাহায্য করতে। হুগলির পুরশুড়ায় তৃণমূল প্রার্থীরও অভিনব প্রচার দেখা গিয়েছে। আর এভাবে অভিনব প্রচারের মাধ্যমেই ভোটারদের বার্তাও দিচ্ছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। গৃহস্থের হেঁশেলে ঢুকে শিল-নোড়া দিয়ে মশলা বেটেছেন পুরশুড়ার তৃণমূল প্রার্থী পার্থ হাজারি। এরপর আবার রান্নাতেও সাহায্য করেন তিনি। 

অন্য়দিকে, প্রচার চলাকালীন এক ভোটারকে ঘুঁটে শুকোতে দিতে সাহায্য় করলেন আরামবাগের তৃণমূল প্রার্থী মিতা বাগ। এমনকী কখনও দু'হাত তুলে নাচ, কখনও আবার ভোটারকে কোলে তুলে নাচতে দেখা গেল তাঁকে। হুগলির পুরশুড়ায় প্রচারে বেরিয়ে মাঠে নেমে লাঙল টানতে দেখা গিয়েছে বিজেপি প্রার্থী বিমান ঘোষ। এর আগে নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে জল কাদায় নেমে চাষিদের সঙ্গে আলু তুলতে দেখা গিয়েছে মালদা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহাকে। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে এলাকায় দেখা যায়নি সেখানকার ৫ বছরের এই বিধায়ককে। এখন ভোট নেওয়ার জন্য এলাকায় নাটক করতে এসেছেন তিনি। এছাড়াও সেলুনে ঢুকে ভোটারের দাড়ি কেটে দেওয়া, ভোটারের হেঁশেলে ঢুকে রুটি বেলে দেওয়া - ভোটারদের মন পেতে ভোট-প্রচারে গিয়ে কী না করছেন প্রার্থীরা। 

Continues below advertisement

শুধু রাস্তা ঘাট নয়, ক্লাব ঘরের ঢুকে ক্যারাম খেলা দেখতে দেখতে প্রচার সারলেন উত্তরপাড়ার সিপিএম প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্য়ায়। প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই উত্তরপাড়ায় জনসংযোগের কাজে ব্যস্ত ছিলেন মীনাক্ষী। আর এখন জোরকদমে প্রচার সারছেন তিনি। কদিন আগে প্রচারে গিয়ে ফোন নম্বর লেখা কার্ড বিলি করেছেন তিনি। মানুষ যাতে সুবিধা-অসুবিধায়, বিপদে-আপদে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, সেই জন্যই এই প্রচেষ্টা।