মুম্বই: অজয় দেবগনের ‘দৃশ্যম ৩’ বক্স অফিসে সাফল্যের মুখ দেখছে। আর সেই সময়েই নতুন করে শিরোনামে বলিউডের এই অভিনেতা। মুম্বইয়ের জুহুতে তাঁর বাংলোর একাংশ ভেঙে দিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা (BMC)। অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পুরসভার অনুমতি ছাড়াই বাড়িতে একাধিক নির্মাণ ও পরিবর্তনের কাজ চলছিল। কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও নির্মাণ অব্যাহত থাকায় পুরসভার এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।

Continues below advertisement

কী অভিযোগে ভাঙা হল বাংলোর একাংশ?

মুম্বইয়ের জুহু এলাকার কাপোল কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটিতে অবস্থিত অজয় দেবগনের বাংলোটির আয়তন প্রায় ৭,৮০২ বর্গফুট। পুরসভার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই বাড়ির ভিতরে একাধিক পরিবর্তন করা হচ্ছিল। এর মধ্যে ছিল ঘরের অভ্যন্তরীণ কাঠামোয় বদল, পার্টিশন দেওয়াল তৈরি, জানলার পরিবর্তন এবং অন্যান্য নির্মাণ সংক্রান্ত কাজ। এই নির্মাণের বিষয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর মুম্বই পুরসভার তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইনের ৩৫৪এ ধারায় জারি করা ওই নোটিসে অবিলম্বে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, নির্মাণ সংক্রান্ত বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।

Continues below advertisement

কিন্তু পুরসভার দাবি, নির্দেশের পরেও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি। এরপরই শনিবার, ১৭ অক্টোবর, পুরসভার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির যে অংশে অনুমতি ছাড়া নির্মাণের অভিযোগ উঠেছিল, তা ভেঙে দেন। ঘটনাস্থলের দৃশ্যে হাতুড়ি দিয়ে নির্মাণ ভাঙতে দেখা গিয়েছে আধিকারিকদের।

‘দৃশ্যম ৩’-এর সাফল্যের মধ্যেই অস্বস্তিতে অজয়?

একদিকে বক্স অফিসে সাফল্য, অন্যদিকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে বিতর্ক—দুই কারণে আলোচনায় অজয় দেবগন। তাঁর অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’ গত ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। অভিষেক পাঠকের পরিচালনায় তৈরি এই ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। ছবিটি বিশ্বব্যাপী ৪০০ কোটি টাকার বক্স অফিসের গণ্ডিও পেরিয়েছে বলে প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এরই মধ্যে তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন নিয়েও বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেতা। ‘বিমল ইলাইচি’র বিজ্ঞাপনের সূত্রে অজয় দেবগন, শাহরুখ খান ও টাইগার শ্রফকে শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (FDA)। অভিযোগ, এই ধরনের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ পণ্যের পরোক্ষ প্রচার করতে পারে। তবে জুহুর বাংলোর নির্মাণ সংক্রান্ত ঘটনায় অজয় দেবগনের কোনও প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়নি।