কলকাতা: তাঁর ফিটনেস প্রশ্নাতীত। বয়স ৬০ ছুঁইছুঁই হলেও, তাঁকে দেখে বোঝার উপায় নেই একেবারেই। নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তিনি। ভীষণ কড়াভাবে মেনে চলেন বিভিন্ন নিয়ম। তবে একবার নাকি, প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)! কার্যত প্রাণ সংশয় হয়ে গিয়েছিল অভিনেতার। তবে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে গিয়ে সেই বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন অক্ষয়। চিরকালই ঈশ্বর বিশ্বাসী অক্ষয় কুমার, নিজের ঈশ্বর বিশ্বাসের কথা বারে বারেই বলে এসেছেন অক্ষয়। তবে এবার, বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে গিয়ে নিজের অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতার কথা সদ্যই শেয়ার করে নিয়েছেন অক্ষয়। 

Continues below advertisement

জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে গা, অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়েছিলেন অক্ষয় কুমার!

অভিনেতা একবার বলেছিলেন, তাঁর বাবা মা, বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে গিয়ে মানত করেই তাঁকে পেয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালের একটি ঘটনার কথা শেয়ার করে নেন তিনি। অভিনেতা বলেন, তিনি জন্মানোর আগে, তাঁর বাবা ও মা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে গিয়ে মানত করে আসেন। তার ঠিক ১ বছর পরেই, জন্ম হয় অক্ষয় কুমারের। সেই কারণেই তাঁর মা-বাবা সিদ্ধান্ত নেন যে, অক্ষয় কুমারকে নিয়ে একবার বৈষ্ণোদেবী যাওয়া হবে। ছোট্ট অক্ষয়কে নিয়ে, বৈষ্ণোদেবী পাড়ি দেন অভিনেতার বাবা মা। কিন্তু সেখানে ভয়ঙ্কর অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। 

Continues below advertisement

অক্ষয়ের কথায়, 'আধাত্মিক সেই সফরে গিয়ে আমি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ি। জ্বর চলে আসে আমার। প্রথমে ১০৩ এবং তারপরে, ১০৪ জ্বর উঠে যায়। জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে আমার। একটা সময়ে, জ্বরের ঘোরে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেই সময়ে আমায় ডাক্তার দেখানো হয়। কাটরার এক চিকিৎসক পরামর্শ দেন, আমায় তড়িঘড়ি দিল্লি নিয়ে যেতে হবে। কারণ সেই সময়ে পরিকাঠামো খুব একটা ভাল ছিল না। সেই সময়ে বৈষ্ণোদেবীতে থাকলে, আরও অসুস্থ হয়ে পড়তাম আমি।'

তারপরেই ঘটে এক অলৌকিক ঘটনা! অক্ষয় জানান, তাঁর শরীর আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে দেখে, বাবা মা কান্নাকাটি শুরু করে দেন। সেই সময়ে এক ব্যক্তি এসে বলেন, 'আপনার ছেলের হাসিটা ভীষণ সুন্দর'। তখন বাবা-মা দেখেন যে, অক্ষয় হাসছেন। সেই সময়েই তাঁর বাবা-মা দেখেন, অসুস্থ অক্ষয় হাসছেন। তারপরেই অক্ষয় ঠিক হয়ে যান। গোটা বিষয়টার স্মৃতি নেই অক্ষয়ের। তিনি বাবা ও মায়ের থেকেই এই গল্প শুনেছেন। তবে তিনিযে ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, সেটা বারে বারেই বলেছেন তিনি।