কলকাতা: এই ধারাবাহিকটা শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ থেকে এবং সেই থেকেই এটি দর্শকদের প্রিয় হয়ে ওঠে। এটি এমন একটি অনুষ্ঠান যা পুরো পরিবারের সঙ্গে বসে উপভোগ করা যায়। এসিপি প্রদ্যুমন (ACP Pradyuman), দয়া (Daya) এবং অভিজিতের (Abhijeet) অনুরাগীদের সংখ্যাও প্রচুর। এই চরিত্রগুলি আক্ষরিক অর্থেই দর্শকদের কাছে পরিবারের একটি অংশ হয়ে উঠেছে। চূড়ান্ত জনপ্রিয়তার মধ্যেই, ২০১৮ -তে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। দর্শকেরা এটা মোটেই মেনে নিতে পারেননি। অনুরাগীরা শিবাজী সত্য়ম, দয়ানন্দ শেঠি এবং আদিত্য শ্রীবাস্তবকে মিস করেছেন। তাই, জনসাধারণের চাহিদার ভিত্তিতে, শো- টি ২০২৪ এ আবার ফিরিয়ে আনা হয়। এটি আবার দর্শকদের কাছ থেকে সমস্ত ভালবাসা পেয়েছে। দ্বিতীয় মরশুমে সিআইডি-র দল নতুন রূপে ফিরে এসেছে।
মানুষ টিভি চ্যানেল এবং নেটফ্লিক্সেও অনুষ্ঠানটি দেখতে পছন্দ করেছেন। অনুষ্ঠানটির নিয়ে নতুন করে উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে। সদ্য সম্প্রচারিত পর্বে দেখানো হয়েছে, এসিপি প্রদ্যুমন মারা গিয়েছেন, বোমা বিস্ফোরণে। যে বোমা বিস্ফোরণে এসিপি প্রদ্যুমনের মৃত্যু দেখানো হয়েছে, সেই বোমা বিস্ফোরণের প্রতিশোধ নিতে তৈরি দয়া আর অভিজিৎ।
এসিপি প্রদ্যুমনের মৃত্যুর এপিসোডটি দেখে অনুরাগীদের মন খারাপ। শিবাজী সত্যম এসিপি প্রদ্যুমনের চরিত্রটিকে আইকনিক করে তুলেছিলেন। এসিপি প্রদ্যুমনের মৃত্যুর পরে, শো-এ এসেছেন পার্থ সামথান। এসিপি আয়ুষ্মান হিসাবে শোতে প্রবেশ করেছেন তিনি। নতুন এসিপি শোতে প্রবেশ করেছেন এবং দর্শক দেখেছেন যে দয়া এবং অভিজিৎ একেবারেই এই নতুন এসিপিকে মেনে নিতে প্রস্তুত নন। সেই সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল। কেউ ই প্রস্তুত ছিলে না এসিপি প্রদ্যুমনের জায়গায় অন্য কোনও চরিত্রকে মেনে নিতে। তবে এসিপি আয়ুষ্মান শো-তে আসতেই বদলে যায় সবটা। দর্শকেরা এসিপি আয়ুষ্মানকে দেখে কার্যত মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া ভরে গিয়েছে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায়। প্রত্যেকেই পার্থ সামথানের চরিত্রের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।