নয়াদিল্লি: দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠনের সমর্থনে পতাকা । আর তাতেই মাঝপথে  গান থামিয়ে দিলেন শিল্পী। পতাকাধারীদের ঝামেলা না পাকিয়ে বেরিয়ে যেতে বললেন। সেই ভিডিও সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে দিলজিতের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন অনেকেই। (Diljit Dosanjh)

Continues below advertisement

কানাডার ক্যালগারিতে কনসার্ট ছিল দিলজিতের। সেখানে চোখে পড়ার মতো উৎসাহ ছিল। দিলজিতের সঙ্গে গলা মেলান শ্রোতারা। নাচে-গানে মাতোয়ারা হতে দেখা যায় সকলকে। সেই সময়ই দর্শকাসনের এক জায়গায় খালিস্তানপন্থী সংগঠনের সমর্থনে পতাকা ওড়াতে দেখা যায় কয়েক জনকে। (Diljit Dosanjh Concert)

আরও পড়ুন: চলল গুলি, কপিল শর্মাকে ভয় দেখানোর জন্য ভয়াবহ পদক্ষেপ! কেমন আছেন কমেডিয়ান?

Continues below advertisement

যে খালিস্তানপন্থী সংগঠনের সমর্থনে পতাকা ওড়ানো হয় দিলজিতের কনসার্টে, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে সেটি নিষিদ্ধ ভারতে। বিষয়টি চোখে পড়তই গান থামিয়ে দেন দিলজিত। কোনও রকম গোলমাল পাকানো না হয় যাতে, আবেদন জানান। পতাকাধারীদের কনসার্ট থেকে বেরিয়ে যেতেও বলেন তিনি। দিলজিৎকে বলতে শোনা যায়, “যত পারো পতাকা দেখাও।”

 এর আগেও, দিলজিতের কনসার্টে খালিস্তানপন্থী পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। কনসার্ট ভণ্ডুল করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে অতীতেও। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই কানাডার কনসার্টে একবারে কড়া অবস্থানে দেখা যায় দিলজিৎকে। পরে আমেরিকায় The Tonight Show Starring Jimmi Fallon-এও যান তিনি। জানান, কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি তিনি। তিনি পঞ্জাবের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন। পঞ্জাবকে তুলে ধরাই দায়িত্ব তাঁর।

আরও পড়ুন: পড়ন্ত সূর্যের আলোয় রণবীর-আলিয়াকে মনে করালেন টলিউডের এই 'জুটি', সুখবর খুব তাড়াতাড়ি?

দিলজিৎ আরও বলেন, “আমরা পঞ্জাবকে ভালবাসি। যেখানেই যাই না কেন, সর্বদা পঞ্জাবকে নিয়ে কথা বলি। আমি বার বার বলেছি, সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি আমাদের নিয়ে সেভাবে কথা বলে না। তাই আমি যেখানেই যাই না কেন, পঞ্জাবের কথা বলি। আমি নিজের গানের কথা বলিনি। কিছু প্রচারও করিনি। আমি পঞ্জাবের জন্যই চ্যানেলে যাই।”

খালিস্তান ইস্যুকে ঘিরেই গত কয়েক বছরে কানাডার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। কানাডা খালিস্তানপন্থীদের প্রতি নরম বলে যেমন অভিযোগ দিল্লির, তেমনই ওট্টাওয়ার দাবি, তাদের মাটিতে নাশকতামূলক কাজকর্মে লিপ্ত ভারতের RAW এজেন্টরা। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিষয়টি নিয়ে সংসদভবন থেকেই সরব হন। যদিও ট্রুডো ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটানোর চেষ্টা চলছে।