কলকাতা: বিপর্যয়ের জের। বাংলা সিনেমার শ্যুটিংয়ে নেপালের পোখরায় গিয়ে বন্দি অভিনেতা খরাজ। ফিরতে পারছেন না আজ। কাল ফেরার চেষ্টা করবেন, এবিপি আনন্দ-কে জানালেন অভিনেতা। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, নেপালে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনের মৃত্যুর খবর, খোঁজ মিলছে না ১৩৩ জন ভারতীয় পর্যটকের

Continues below advertisement

এদিন এবিপি আনন্দ-কে অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃষ্টি প্রচন্ড হচ্ছে, সেতো কালকে শ্যুটিং করছিলাম, ৫ ঘণ্টার মতো আমরা বৃষ্টির মধ্যে জঙ্গলে বসেছিলাম। খুব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেই ছিলাম। তার মধ্যেই শ্যুটিংয়ের ব্যবস্থা করা। শ্যুটিং অনেকক্ষণ হ্যাম্পার্ড হয়েছিল। এরকম এক আধবার নয়, বহুবারই হচ্ছে। আমাদের ফেরার কথা ছিল, আজকে অর্থাৎ ২৭ তারিখ সকালে। কাঠমানু্ডু থেকে। টিকিটও করা ছিল। টিকিটটা নন রিফান্ডেবেল টিকিট। সেই জন্য আমি এদের বলেছিলাম, যেকরে হোক, ২৬ তারিখে তাড়াতাড়ি করে,আপনারা শ্যুটিংটা শেষ করে ফেলবেন।..শ্যুটিং যখন শেষ হল, ফ্লাইটের টিকিট ফুল হয়ে গেল। ফলত কাঠমান্ডু যাওয়ার কোনও আর উপায় হল না। এবার তাহলে কী করা যায়, এখানে থেকে খোঁজ খবর করে জানতে পারলাম যে, এখান থেকে সরাসরি গোরক্ষপুর চলে যাওয়া সম্ভব। একমাত্র ওদিকের রাস্তাটা খোলা আছে। গোরক্ষপুরের রাস্তায় আজকে আমরা বের হব।আজকে কোনও ফ্লাইট নেই। কালকে একটা ফ্লাইট পাব। ওই ফ্লাইটটা ধরে এখনও অবধি পরিকল্পনা।…ধুন্ধুমার বৃষ্টির মধ্যে জঙ্গলে বসেছিলাম।’

খরাজ পুত্র তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন, 'নমষ্কার আমার নাম তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায় ওরফে বিহু মুখোপাধ্যায়, বাবার নাম খরাজ মুখোপাধ্য়ায় এবং মা প্রতিমা মুখোপাধ্যায়। তাঁরা দুজনের শ্যুটিং করতে নেপালে গিয়েছিলেন। আমার কাছে তাঁদের অনেক শুভাকাঙ্খীরা এবং সংবাদ মাধ্যম থেকে অনেক ফোন আসছে। ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রামে অনেক মেসেজ পাচ্ছি যে, তাঁরা কেমন আছেন, আমি সবাইকে জানাতে চাই, আমার বাবা এবং মা দুজনেই নিরাপদে আছেন, আজকে সকালেও তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা পোখরায় শ্য়ুটিংটি করতে গিয়েছিলেন। এবং যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা অনেকটাই দূরে, তাঁরা পোখরা থেকে ফিরে আসার জন্য, ফ্লাইট ডিলে হচ্ছিল, ফ্লাইট পাওয়া যাচ্ছিল না। এবং যেহেতু পোখরায় খুব বৃষ্টি হচ্ছে, শুটিংও বিঘ্নিত হয়েছিল। ২৩ তারিখ ফিরে আসার কথা ছিল শ্যুটিং শেষ করে। কিন্তু বৃষ্টির জন্য শ্যুটিং ব্যহত হওয়ায় তাঁরা ফিরে আসতে পারেননি।'