কলকাতা: দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় করছেন তিনি, তবে এবার প্রযোজনার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। একদিকে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয়, অন্যদিকে প্রযোজনার দায়িত্ব, দুইই সামলাচ্ছেন তিনি। একের পর এক ঝড় সামলে, অবশেষে মুক্তি পেয়েছে 'তারকাটা'-র (Tarkata) ফার্স্ট লুক। জি ফাইভে (Zee 5) মুক্তি পাচ্ছে নতুন এই ওয়েব সিরিজ। সিরিজের মুখ্যচরিত্রে দেখা যাবে বিক্রম চট্টোপাধ্যায় (Vikram Chatterjee)-কে। পাশাপাশি এই ওয়েব সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন, প্রিয়ঙ্কা সরকারকে (Priyanka Sarkar)। আজ মুক্তি পেয়েছে এই সিরিজের লুক ও পোস্টার। 

Continues below advertisement

পোস্টারে বিক্রমের যে লুক রয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে.. হাসতে হাসতে নিজেকে নিজেই গুলি করলেন বিক্রম! ব্যাপারটা কী, জানতে অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবিপি লাইভ বাংলা। হাসতে হাসতে অভিনেতা বললেন, 'আমার চরিত্রটা ভীষণ ভালভাবে লিখেছে শমীক (Samik Roy Chowdhury)। গোটা বিষয়টা আমায় ভীষণ আকর্ষণ করেছিল। সিরিজে আমার ২টো লুক এবং কার্যত ২টো চরিত্রায়ণ রয়েছে। একই সিরিজে ২টো চরিত্রে অভিনয় করেছি, এটা বলা যেতেই পারে। জি ফাইভ এমন কিছু কাজ করছে, যেটা বাংলায় এর আগে হয়নি। 'তারকাটা' ঠিক সেইরকমই একটা কাজ। সিরিজটায় যথেষ্ট অভিনয়ের জায়গা রয়েছে, পাশাপাশি অ্যাকশন ও রয়েছে।'

এই সিরিজের হাত ধরেই প্রথম প্রযোজনা শুরু করলেন বিক্রম। কেমন হল প্রথম প্রযোজনার অভিজ্ঞতা? বিক্রম বলছেন, 'কয়েক বছরে আমি যা যা সিনেমায় অভিনয় করেছি, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নতুন প্রযোজনা সংস্থা। তাঁদের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কও খুব ভাল। ফলে প্রযোজনার দায়িত্ব নিলে কী কী পরিস্থিতি আসতে পারে, সেটা আমি নিজে শিখেছি। এই সিরিজটা প্রথম থেকেই বেশ সমস্যার মধ্যে দিয়ে গেল। শ্যুটিং চলাকালীন আমি চোট পাই। সেই কারণে শ্যুটিং বন্ধ রাখতে হয়েছিল ১ সপ্তাহ মতো। তারপরে আবার রাহুলদার (Rahul Arunodoy Banerjee)-র মর্মান্তিক ঘটনাটা। প্রিয়ঙ্কা ওই পরিস্থিতিতেও যেভাবে কাজটা শেষ করল, ওকে ধন্যবাদ দেওয়া ছাড়া আমার কিছুই বলার নেই। প্রিয়ঙ্কা চিরকালই প্রযোজকের কথা ভেবে কাজ করে। ওর সঙ্গে কাজ যাঁরা করেছেন, তাঁরাই জানবেন ও ভীষণ প্রফেশনাল। আসলে ইতিমধ্যেই শ্যুটিং পিছিয়ে গিয়েছিল আমার চোটের কারণে। সিরিজ মুক্তির দিন ও এগিয়ে আসছে, ফলে আমাদের শ্যুটিং শুরু করতেই হত। কারণ তারপরে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ ও রয়েছে। তবে যেহেতু আমি নিজের এই সিরিজের মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করছি, সেই কারণে প্রযোজনার পুরো দায়িত্ব একা সামলাতে পারতাম না আমি। তাই আমার বন্ধু অভিনব ঘোষের সাহায্য নিলাম। যাতে ফ্লোরে গেলে আমি শুধু অভিনয়টাতেই মন দিতে পারি। অনেক কষ্ট করে কাজটা করেছি। আশা করছি, মানুষের কাজটা খুব ভাল লাগবে।'

Continues below advertisement