কলকাতা: গত ১৬ জানুয়ারি নিজের বাড়িতেই হামলা হয় সেফ আলি খানের (Saif Ali Khan) ওপর। এদিন রাত্রে হঠাৎ সেফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকে পড়ে এক আততায়ী। তার সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন সেফ। এই ঘটনার পড়ে সেফ আহত হয়ে পড়ে গেলে পালিয়ে যায় আততায়ী। এরপরে সেফকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মামলার তদন্ত চলছে। তবে এদিন রাতে কেন সেফ আলি খানকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল ছোট্ট তৈমুর? করিনা কপূর নন? সেই উত্তরই সদ্য একটি সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন সেফ।
সদ্য 'টাইমস অফ ইন্ডিয়া' (Times of India) -কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেফ বলেছেন কেন তাঁকে সেইদিন হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাড়ির দুই ছোট। ইব্রাহিম আলি খান ও তৈমুর? কেন প্রথমেই হাসপাতালে জাননি করিনা? সেফ জানিয়েছেন, এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও তৈমুর একেবারেই ভয় পায়নি। বাবার শরীর থেকে ঝরঝর করে রক্ত বেরোতে দেখেও একটুও ভয় পায়নি তৈমুর। সে বাবার কাছে এসেছিল। আর সেফ তার ছেলের নির্ভিক মুখ দেখে মনে ভীষণ সাহস পেয়েছিলেন। সেফ চেয়েছিলেন, ছেলে থাকুক তাঁর সঙ্গে।
অন্যদিকে করিনা কপূর খানও তৈমুরকে নির্ভাবনায় ছেড়ে দিয়েছিলেন সেফের সঙ্গে। করিনা নাকি মনে করেছিলেন, যদি সেফের শরীর আরও খারাপ হয়ে যায়, তাহলে তিনি তৈমুরকে দেখে অনেকটাই শক্ত থাকতে পারবেন। তৈমুরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়ার পরে করিনা ও করিশ্মা হাসপাতালে পৌঁছন। সেফ বলেছেন, করিনা সবটা বুঝেই তৈমুরকে যেতে দিয়েছিলেন সেফের সঙ্গে। করিনা বুঝেছিলেন, সেফের সঙ্গে তৈমুর গেলে তিনি অনেকটাই নির্ভাবনায় থাকবেন তৈমুরকে দেখে। অন্যদিকে ৮ বছরের সেই একরত্তিও ভয় পায়নি। সেই কারণেই তৈমুর আর ইব্রাহিমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেফের কাছে।
সেফ আলি খানের পিঠে ঢুকে গিয়েছিল একটি ছুরির ফলার ভাঙা অংশ। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সেই ছুরির ফলা যদি আর একটু গভীরে যেত, তাহলে চিরদিনের মতো কোনও ক্ষতি হতে পারত সেফ আলি খানের। ছিল প্যারালিসিস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও। তবে এই পরিস্থিতি ঘটেনি। সেফ সুস্থ হয়ে উঠেছেন অনেকটা দ্রুতই।
আরও পড়ুন: Dippendu Biswas: দীপেন্দু বিশ্বাসের জীবন নিয়ে সিনেমা, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন সোহম চক্রবর্তী