সাড়ম্বরে শপথগ্রহণ ত্রিপুরায়, তৈরি হয়েছিল ১০০ ফুট লম্বা মঞ্চ
অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারও।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চটি ছিল ১০০ ফুট লম্বা। মোদী ছাড়ও এসেছিলেন বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি বলেছেন, ত্রিপুরায় বিজেপির উত্থান দেশে বাম রাজনীতির পতন তুলে ধরেছে। তাঁর কথায়, দেশে বামপন্থী মতাদর্শ জমি হারাচ্ছে, তাদের সমর্থক ভিত্তিতে ধসে পড়েছে।
অনুষ্ঠান ঘিরে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে গেস্ট হাউসগুলি পর্যন্ত ত্রিপুরা পুলিশ, ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস, সিআরপিএফের কড়া নজরদারি। দিল্লি থেকে আনা হয়েছিল স্পেশ্যাল কম্যান্ডোদের।
বিমানবন্দর থেকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান স্থল পর্যন্ত রাস্তার দুপাশ মুড়ে ফেলা হয়েছিল বিজেপির পতাকায়। আর রাস্তায় ছিল গৈরিক পোশাক পরা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ঢল।
এই অনুষ্ঠানে ঘিরে ছিল ইলাহি আয়োজন। অসম রাইফেলসের সুবিশাল ময়দানে হয়েছিল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। উঁচু পাম গাছ ঘেরা ময়দান ছেয়ে দেওয়া হয়েছিল মোদী ও অমিত শাহর বড় বড় পোস্টার।
ত্রিপুরার রাজনৈতিক রঙ বদলে লাল থেকে গেরুয়া। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আজ শপথগ্রহণ করল বিজেপি সরকার। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানী আগরতলায় ছিল সাজসাজ রব। সাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিপ্লব কুমার দেব। হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ সারা দেশ থেকে আসা বিজেপির অন্যান্য নেতা ও মুখ্যমন্ত্রীরা।