Black Carrot Health Benefits: গাজর খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল, একথা সকলেই জানেন। তবে এখন ট্রেন্ডে রয়েছে কালো গাজর। সাধারণত কমলা রঙের যে গাজর দেখতে পাওয়া যায়, তার থেকে এই গাজরের পার্থক্য শুধু রঙে নয়। সাধারণ গাজরের তুলনায় সামান্য হলেও কালো গাজর খাওয়ার উপকারিতা বেশি। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল কালো গাজর থেকে তৈরি কালচে রঙের হালুয়া তৈরির ভিডিও। খুবই অল্প পরিমাণে আমাদের দেশে চাষ হয় এই কালো গাজরের। এই বিশেষ রঙের গাজর খেলে আপনি কী কী উপকার পাবেন, কীভাবে আপনার শরীর-স্বাস্থ্য ভাল থাকবে, কোন কোন সমস্যা দূর হবে- দেখে নিন একনজরে।
কালো গাজর খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে ভাইরাল হয়েছে কালো রঙের গাজর। ভারতে কালো রঙের গাজরের চাষ হয়, তবে খুবই দুর্লভ এই সবজি। একাধিক পুষ্টি উপকরণ অর্থাৎ নিউট্রিয়েন্টস রয়েছে কালো রঙের গাজরের মধ্যে। এমনি গাজরের তুলনায় এই কালো রঙের গাজরের গুণ কিছুটা বেশি। এবার জেনে নেওয়া যাক কালো রঙের গাজর খেলে আপনি কী কী উপকার পাবেন।
- প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে কালো রঙের গাজরে। হার্টের অসুখ, ক্যানসারের মতো সমস্যা কমায় এই সবজি। এছাড়াও কমায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের পরিমাণ। তার ফলে বার্ধক্যজনিত সমস্যা দেখা দেওয়ার প্রবণতা কমে।
- এমনি গাজর খাওয়া যেমন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল, তেমনই কালো গাজর খেলেও ভাল থাকবে দৃষ্টিশক্তি। ভিটামিন এ রয়েছে এই গাজরে। অতএব বয়স হলে চোখের সমস্যা এড়াতে চাইলে পাতে রাখুন কালো গাজর।
- কালো গাজরে ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে অনেক পরিমাণে। এই উপকরণ অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। হজমশক্তি ভাল করে। এর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে কালো গাজর। আমাদের শরীরের মেটাবলিজম রেট নিয়ন্ত্রণে রাখে এই সবজি।
- এমনি গাজরের মতো কালো রঙের গাজরেও রয়েছে ভিটামিন সি, যা আমাদের ইমিউনিটি আরও বৃদ্ধি করে। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কালো রঙের গাজর খেলে ভাল থাকবে আপনার ত্বক। চুলের স্বাস্থ্যেরও খেয়াল রাখে কালো গাজর।
- এই বিশেষ রঙের গাজরে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপকরণ। শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা কমায়। বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট অংশের ব্যথা কমাতে এই সবজি খাওয়া জরুরি।
- ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে কালো গাজর। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা এই বিশেষ রঙের গাজর রাখতে পারেন মেনুতে।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।