Black Liver Disease Causes: আজকাল মানুষের জীবনযাত্রা দ্রুত গতিতে বদলাচ্ছে। খাওয়াদাওয়া সংক্রান্ত কিছু ভুল অভ্যেসের পাশাপাশি বাড়তি যন্ত্রণা স্ট্রেস। কাজের চাপে অনেকেরই খাওয়া-দাওয়ার কোনও নির্দিষ্ট রুটিনও নেই। এই সব কারণে মানুষকে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তার মধ্যে লিভারের সমস্যা অন্যতম। 

Continues below advertisement

 একাধিক গবেষণা বলছে,  প্রতি বছর লিভারের সমস্যায় লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হন এ দেশে। এর মধ্যে বহু মানুষই ঠিক সময়ে ঠিক চিকিৎসা করান না। এর ফলে অনেকেরই মৃত্যু পর্যন্ত হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি,  অনেকেই প্রাথমিক পর্যায়ে লিভারের সমস্যাগুলিকে উপেক্ষা করে এবং যখন বিষয়টি বাড়াবাড়ির স্তরে পৌঁছে যায়, ততক্ষণে লিভার সিরোসিস বা ব্ল্যাক লিভারের মতো গুরুতর পরিস্থিতিতে পৌঁছে যায়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক, শুরু থেকে কোন কোন বিষয়ে নজর দিলে এই বিপদ কাটবে। 

কী কী প্রাথমিক ভুল?

Continues below advertisement

Cleveland Clinic-এর মতে, যখন লিভারের কোষগুলি বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং লিভারের টিস্যুগুলিতে ক্ষত তৈরি গয়,  তখনই লিভার শক্ত হয়ে যায়। লিভার ঠিক মতো কাজ করে না। এই সমস্যাটি সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউরের দিকে যেতে পারে। আর সিরোসিসের মতো সমস্যা গভীর হলে, মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

British Liver Trust-এর মতে, অ্যালকোহল লিভারের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ। আপনি যদি কয়েক মাস, বছর ধরে একটানা বেশি মদ্যপান করেন, তবে এতে লিভারের কোষগুলির ক্ষতি হতে শুরু করে। ধীরে ধীরে এই সমস্যা সিরোসিসের দিকে ঘুরে যেতে পারে। লিভার সঙ্কুচিত হয়ে কালো হয়ে যায়। Times of India-র একটি রিপোর্ট বলছে, উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ। বেশি তেল, চিনি এবং কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা ধীরে ধীরে লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কয়েকটি গবেষণায় দাবি,  দীর্ঘ সময় ধরে পেইনকিলার এবং অন্যান্য ওষুধ খেলে লিভারের ক্ষতি হয়।  

স্থূলতা 

হালে বহু মানুষই স্থূলতার সমস্যায় ভোগেন।  Verywell Health-এর একটি রিপোর্ট বলছে, স্থূলতা এবং শারীরিক কসরত না-করা,  অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের জন্য ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হতে পারে। এর ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে এবং লিভারের কোষ ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায়। 

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?

এই সমস্যার সমাধান হল আত্মনিয়ন্ত্রণ।  এর জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। যেমন ডাক্তারদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে। জীবন ধারায় কিছু বদল আনতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। মদ্যপান থেকে দূরে থাকতে হবে।  নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। সময়ে সময়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। আপনার যদি কোনও সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান এবং সেখানে সমস্যাটি জানান। 

Disclaimer: এই তথ্য গবেষণা এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এটিকে চিকিৎসা পরামর্শ হিসাবে বিবেচনা করবেন না। কোনো নতুন কার্যকলাপ বা ব্যায়াম শুরু করার আগে আপনার ডাক্তারের বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।