Weight Loss Drugs Heart Attack: বহু মানুষই বাড়তি মেদ নিয়ে বিব্রত। কারণ মোটা শরীর মানেই নানা রোগের বাসা, মনে করেন চিকিৎসকেরা।  সব বয়সের মানুষই এ নিয়ে সমস্যায়।  রোগা হওয়ার জন্য অনেকে জীবনযাত্রার পরিবর্তন করেন। কেউ কেউ আবার ওষুধও খান। ওজন কমাতে বা ওজন বেড়ে যাওয়া এড়াতে অনেকেই  ওষুধ ব্যবহার করছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে।  কী বিপদ হতে পারে , জেনে নেওয়া যাক। 

কী প্রভাব ?

সম্প্রতি, আমেরিকাতে এটি নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়।  ওজেম্পিক (Ozempic)ওষুধ নিয়ে গবেষণা করা হয়। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, এই তথ্য উঠে এসেছে যে এই ওষুধটি ওজন কমানোর পাশাপাশি হৃদরোগ আটকাতেও ভাল কাজ করে।

 ‘মাস জেনারেল ব্রিঘাম’ মেডিকেল গ্রুপের চিকিৎসকরা এই গবেষণাটি করেন। এর ফলাফল সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এতে বলা হয়েছে, যাদের আগে থেকেই হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ওষুধটি খুবই সহায়ক ।

এই ওষুধ ব্যবহারের পরে তাদের  হার্টের অসুখের জন্য হাসপাতালে যাওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে গেছে। এই পুরো গবেষণায় যে দুটি ওষুধের উপর সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি হল সেমাগ্লুটাইড (semaglutide) এবং টির্জেপেটাইড (tirzepatide)। গবেষকরা পুরো গবেষণায় ৯০,০০০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যাদের হৃদরোগ, অতিরিক্ত ওজন এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে। 

এই ওষুধ কি হার্ট অ্যাটাক ঘটায়?

‘মাস জেনারেল ব্রিঘাম’-এর চিকিৎসকদের মতে, ওজন কমানোর ওষুধ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়, এই ধারণাটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে সেমাগ্লুটাইড গ্রহণ করলে রোগীদের অকাল মৃত্যুর বা হাসপাতালে ভর্তির সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়, যেখানে টির্জেপেটাইডের প্রভাব আরও বেশি দেখা গেছে। এটি ব্যবহারের পরে, এই শতাংশ বেড়ে ৫৮-এ পৌঁছেছে। তবে, কেউ  যদি ওজন কমানোর ওষুধ খান, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ওষুধটি আসল বা ব্র্যান্ডেড কিনা, তা দেখে নেওয়া। কারণ কোনও কোনও ওষুধের ব্যবহার হার্টের অসুখের ঝুঁকি বাড়াতেও পারে। কিছু পুরনো ওষুধ যা হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে, সেগুলি বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি ওজন কমানোর ওষুধ ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিন। উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এটিকে চিকিৎসা পরামর্শ হিসাবে বিবেচনা করবেন না। কোনো নতুন কার্যকলাপ বা ব্যায়াম শুরু করার আগে আপনার ডাক্তারের বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।