Chia Seeds: চুল পড়ার (Hair Fall) সমস্যায় আজকাল প্রায় সকলেই ভুক্তভোগী। এছাড়াও রয়েছে চুল পাতলা (Hair Thinning) হয়ে যাওয়ার প্রবণতা। এই দুই সমস্যার সমাধান কিন্তু অনেকটাই লুকিয়ে রয়েছে আপনি কী ধরনের খাবার (Chia Seeds) খাচ্ছেন তার উপরে। আপনার খাদ্যাভ্যাসই ঠিক করে দেবে চুলের সমস্যা। সঠিক খাবার খেলে মজবুত হবে চুলের গোড়া। ফলে সহজে চুল ঝরবে না, পাতলাও হবে না। এর পাশাপাশি নতুন চুলও গজাবে। কারণ পুষ্টিকর খাবার খেলে চুলের পাশাপাশি মাথার তালু অর্থাৎ স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্যও ভাল হবে। তার ফলে হেয়ার ফলিকলগুলির মুখ ঠিকভাবে উন্মুক্ত হবে এবং নতুন চুল গজাবে।
এবার দেখে নিন, চুল পড়া এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে কোন কোন উপকরণ যুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি
চুলের যাবতীয় সমস্যা অল্প সময়ে কমানোর জন্য প্রতিদিন খেতে হবে চিয়া সিড। কিন্তু কেন? জেনে নিন বিশদে।
- চিয়া সিড প্রায় সকলেই ওজন ঝরানোর জন্যই খেয়ে থাকেন। কিন্তু জানেন কি এই বীজ আপনার চুলেরও দারুণ ভাবে খেয়াল রাখে। চিয়া সিডের মধ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এছাড়াও পাবেন প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপকরণ জিঙ্ক। নতুন চুল গজাতে ভীষণ সাহায্য করে চিয়া সিড। খেয়াল রাখে স্ক্যাল্পেরও।
- চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য আপনার শরীরে সঠিক মাত্রায় প্রোটিন থাকা খুব জরুরি। চিয়া সিডের মধ্যে যেহেতু প্রচুর প্রোটিন রয়েছে, তাই নিয়মিত এই বীজ খেলে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। চিয়া সিড একটি প্ল্যান্ট বেসড প্রোটিন সোর্স। অর্থাৎ উদ্ভিতজাত প্রোটিন উপকরণ। চিয়া সিড খেলে চুল লম্বায় সঠিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি অনেকের চুল মাঝখান থেকে ভেঙে যাওয়ার কিংবা ডগা ফেটে যাওয়ার (স্প্লিট এন্ডস) যে প্রবণতা দেখা যায়, সেটাও দূর হবে। অর্থাৎ চুলের ভঙ্গুরতা কমে যাবে।
- চুলের জন্য অন্যতম উপকারী খনিজ উপকরণ হল জিঙ্ক। চিয়া সিডের মধ্যে প্রচুর জিঙ্ক রয়েছে। তাই এই বীজ নিয়মিত খেলে হেয়ার ফলিকলগুলি আরও মজবুত হবে। তার ফলে চুল সহজে ঝরে যাবে না। পাশাপাশি নতুন চুলও গজাবে। অতএব চুলের ঘনত্ব বাড়বে, আর পাতলা লাগবে না। জিঙ্ক হেয়ার টিস্যুর দেখভাল করতেও দারুণভাবে কাজে লাগে। হেয়ার টিস্যুর যাবতীয় ক্ষয় দূর করে এই খনিজ উপকরণ।
- চিয়া সিডের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসও হেয়ার ফলিকলগুলিকে মজবুত করে। এর ফলে চুলের গোড়া শক্ত হবে। সহজে চুল পড়ার সমস্যা দেখা যাবে না।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।