Fennel Seeds: কাঁচা মৌরি ভালভাবে চিবিয়ে খাওয়ার পর জল খেলে অনেক উপকার পাওয়া সম্ভব। চাইলে আপনি মৌরি চিবানোর পর হাল্কা গরম জলও খেতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন মৌরি যেন কাঁচাই থাকে, ভাজা যান না হয়। তাহলে আর উপকার সেভাবে পাওয়া যাবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কাঁচা মৌরি চিবিয়ে খাওয়ার পর হাল্কা গরম জল কিংবা সাধারণ তাপমাত্রায় থাকা জল খেলে শরীরের কোন কোন সমস্যা নিমেষে দূর হবে। 

বদহজম, গ্যাস, পেট ফেঁপে আইঢাই অবস্থা 

গুরুপাক খাবার খাওয়া হয়ে গেলে সবার আগে বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়। তার থেকে ধীরে ধীরে তৈরি হয় অ্যাসিডিটি, গ্যাস, পেট ফেঁপে থাকার মতো সমস্যা। এইসব সমস্যা কয়েক মিনিটেই কমাবে মৌরি জল। ভারী খাবার খাওয়া হলে এবং তারপর অস্বস্তি অনুভব করলে, প্রথমে কিছুটা কাঁচা মৌরি ভালভাবে চিবিয়ে খেয়ে নিন। তারপর হাল্কা গরম জল খেয়ে নিতে হবে। দুটোই অল্প পরিমাণে খেতে হবে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দূর হবে হজম সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা। এমনকি পেটে যদি হাল্কা ব্যথা অনুভূত হয়, সেটাও কমে যাবে। 

সকালে কাঁচা মৌরি চিবিয়ে তারপর সাধারণ তাপমাত্রায় থাকা জল খেলে উপকার কী কী 

  • এই অভ্যাস আমাদের শরীরের মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে দেয়। তার ফলে ক্যালোরি এবং ফ্যাট ঝরাতে সুবিধা হয়। ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে। 
  • মৌরি চিবিয়ে খাওয়ার পর জল খেলে শরীর এবং পেট ঠান্ডা থাকে। গরমের দিনে খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। 
  • মৌরি খাওয়ার পর জল খেলে আপনার মুখে দুর্গন্ধ থাকবে না। তাই খাবার খাওয়ার পর এই অভ্যাস রাখা ভাল। 
  • গরমকালে শরীরে জলের মাত্রা সঠিক পর্যায়ে বজায় থাকা জরুরি। ডিহাইড্রেশন হলে একাধিক সমস্যা দেখা দেবে। তাই গরমের দিনে মৌরি চিবিয়ে খেয়ে জল খাওয়ার অভ্যাস দিনে অন্তত একবার মেনে চলুন। 
  • অনেকসময় ভীষণ তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায় আমাদের। ঠোঁটও শুকিয়ে যায়। এই অবস্থায় সামান্য মৌরি চিবিয়ে খেয়ে তারপর জল খেলে তেষ্টা মিটে যায়। 
  • ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাঁচা মৌরি চিবিয়ে খাওয়ার পর জল খাওয়ার এই অভ্যাস দারুণ ভাবে কাজে লাগে। 
  • মৌরি চিবিয়ে জল খেলে, কিংবা মৌরি ভেজনাও জল খেলে, আমাদের ওতক এবং চুলের স্বাস্থ্য ভাল থাকে। তাই দিনে একবার অন্তত মৌরি ভেজানো জল কিংবা কিছুটা কাঁচা মৌরি চিবিয়ে খেতে তারপর ঈষদুষ্ণ জল অথবা সাধারণ তাপমাত্রায় (রুম টেম্পারেচার) থাকা জল খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন অনেক। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।