Magnesium Rich Foods: নিয়মিত ঠিকভাবে ঘুম না হলে, শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি হতে বাধ্য। ভাল ঘুম হওয়ার জন্য আমরা অনেক সময়েই বিভিন্ন ধরনের জিনিস খেয়ে থাকি। বিশেষ করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বেশ কয়েক ধরনের পানীয় কিংবা খাবার খেলে, ভাল ঘুম হতে পারে। তবে এই তালিকায় সবার আগে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। ম্যাগনেসিয়াম - এই উপকরণ যুক্ত খাবার খেলে আমাদের স্নায়ু শান্ত হয়। তার ফলে ভালভাবে ঘুম হয়। 

এবার দেখে নেওয়া যাক ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ কোন কোন খাবার খেলে আমাদের ভাল ঘুম হবে 

  • সবুজ রঙের শাকসবজি - মেনুতে পালংশাক রাখুন। রোজ না হলেও মাঝেমধ্যে। প্রতিদিন খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। পালংশাক ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। আমাদের স্নায়ু শান্ত, শিথিল রাখতে সাহায্য করে পালংশাকে থাকা ম্যাগনেসিয়াম। এর ফলে রাতে ভালভাবে ঘুম হবে। ভাল ঘুম হওয়ার পাশাপাশি পালংশাক খাওয়ার আরও অনেক গুণ রয়েছে। 
  • আমন্ড এবং কুমড়োর বীজ - আমন্ড এবং কুমড়োর বীজ খেতে পারলে ভাল ঘুম হবে, কারণ এই দুই খাবারে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম নামের মিনারেলস বা খনিজ উপকরণ। রোজ সকালে ৩ থেকে ৪টে আমন্ড খেতে পারেন। আগের রাতে জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন। অন্যদিকে কুমড়োর বীজ হেলদি স্ন্যাক্স হিসেবে খেতে পারেন। ডাল, স্যুপ, স্মুদির মধ্যে মিশিয়ে দিতে পারেন এই কুমড়োর বীজ। আমন্ড এবং কুমড়োর বীজ খেলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভাল থাকবে। 
  • কলা - রোজ অন্তত একটা করে কলা খেতে পারেন। ম্যাগনেসিয়ামের পাশাপাশি পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে কলার মধ্যে। ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম একসঙ্গে পেশী এবং স্নায়ু শান্ত রাখে। তার ফলে রাতে ভাল ঘুম হবে। ঘুম মাঝেমাঝে ভেঙে গিয়ে ব্যাঘাত হবে না। তবে বেশি কলা খেলে বদহজমের সমস্যা হতে পারে। দুধ এবং কলা একসঙ্গে খেলে তীব্র অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। 
  • ডার্ক চকোলেট - ম্যাগনেসিয়াম ছাড়াও বেশি পরিমাণে কোকো এবং সেরেটোনিন রয়েছে ডার্ক চকোলেটের মধ্যে। ম্যাগনেসিয়াম ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে। আর সেরেটোনিন ভাল রাখে মনমেজাজ, কমায় স্ট্রেস, উদ্বেগ। সব মিলিয়ে ভালভাবে রাতে ঘুম হবে আপনার। 
  • অ্যাভোকাডো - অ্যাভোকাডোর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল এবং শান্ত রাখে। শরীরকে রিল্যাক্স রাখতে সাহায্য করে। তাই অ্যাভোকাডো খেলেও ভাল ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অ্যাভোকাডোর মধ্যে থাকা হেলদি ফ্যাট হার্টের সমস্যা দূর করে। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।