Uric Acid: ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা আপনার শরীরে বেড়ে গেলে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হতে পারে। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা শরীরে বেড়ে গেলে পা ফুলে যেতে পারে। পায়ে ব্যথা হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন গাঁট বা জয়েন্ট অংশেও ব্যথা হতে পারে। কয়েকটি ড্রাই ফ্রুটস রয়েছে যেগুলি নিয়ম করে খেতে পারলে আপনার শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

এই ড্রাই ফ্রুটসের তালিকায় কোন কোন উপকরণ রয়েছে দেখে নিন 

  • এই ড্রাই ফ্রুটসের মধ্যে শুকনো ডুমুর খেতে পারেন। পটাশিয়াম রয়েছে এই ফলে। কমায় ইউরিক অ্যাসিড। ভাল রাখে কিডনি। 
  • আমন্ড খাওয়ার অনেক উপকারিতার মধ্যে একটা হল রোজ আমন্ড খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা শরীরে কমবে। 
  • ওমেগা থ্রি অ্যাসিডে ভরপুর আখরোট খেলেও কমবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা। পাশাপাশি কমবে জয়েন্ট পেন বা গাঁটের ব্যথা। 
  • কাজুবাদাম খেলে কমবে ইউরিক অ্যাসিড। তবে কাজু মেপে খেতে হবে। নইলে উপকারের পাশাপাশি হতে পারে ক্ষতিও। 
  • ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস সমৃদ্ধ পেস্তা খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড ডিটক্সিফিকেশনের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। 
  • খেজুর খেলে অনেক উপকার হয় শরীর-স্বাস্থ্যের। তার মধ্যে একটি হল অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমে সঠিক মাত্রায় থাকে। 
  • কিশমিশ খেলেও কমে ইউরিক অ্যাসিড। কিশমিশ ভেজানো জল খেলেও উপকার পাবেন। রোজ সকালে খালি পেটে খেতে পারেন। 

ইউরিকের অ্যাসিডের মাত্রা শরীরে বেশি থাকলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। মূলত পায়ে যন্ত্রণা হতে দেখা যায় এর প্রভাবে। এছাড়াও পায়ের পাতা ফুলে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাবে কিডনি বিকল হতে পারে। ক্রমশ কর্মক্ষমতা কমবে কিডনির। অর্থাৎ শরীর থেকে দূষিত পদার্থ সঠিকভাবে নির্গত হতে পারবে না। আর এমনটা হলে সার্বিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন আপনি। অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাবে সমস্যা দেখা দিতে পারে হৃদযন্ত্রেও। হার্টে ব্লকেজ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক - এইসব হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাবে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভারের সমস্যা, ত্বকে র‍্যাশ, হাড়ের ক্ষয়, জয়েন্ট বা শরীরের বিভিন্ন গাঁটে যন্ত্রণা - এই সমস্যাগুলি লক্ষ্য করা যায়। তাই ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। 

আরও পড়ুন- ঈষদুষ্ণ জলে অল্প এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে খালি পেটে খেলে কী কী উপকার পাবেন? 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।