Home Made Skin Care Tips: অনেকেই পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় পান না। চিন্তা নেই। বাড়িতেই সহজে ত্বকের পরিচর্যা করা সম্ভব। মধ্যবিত্তের বাড়ির রান্নাঘরে থাকা কয়েকটি উপকরণ দিয়েই সহজে বানিয়ে নেওয়া যায় ফেসপ্যাক, স্ক্রাব, ফেস মাস্ক। আর সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করলে, হাতেনাতে ফল পাবেন আপনি। ত্বকের জেল্লা বাড়বে, কালচে দাগছোপ দূর হবে, ত্বক থাকবে মোলায়েম এবং আর্দ্র। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক বাড়িতে সহজে কীভাবে ত্বকের পরিচর্যার জন্য ফেসপ্যাক, ফেস মাস্ক, স্ক্রাব তৈরি করবেন এবং কী কী উপকরণ ব্যবহার করবেন। 

  • ত্বকের কালচে দাগছোপ দূর করতে বাড়িতে সবচেয়ে সহজে ফেসপ্যাক তৈরি করতে পারেন বেসন এবং হলুদ দিয়ে। দুধ কিংবা দইয়ের মধ্যে বেসন আর হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। স্নানের আগে লাগিয়ে নিন মুখে এবং গলায় ও ঘাড়ে। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। চাইলে ভেজা তুলো কিংবা নরম কাপড় দিয়ে মুছেও নিতে পারেন। 
  • দুধের সর, হলুদ গুঁড়ো, বেসন গুঁড়ো আর সামান্য মধু এবং অলিভ অয়েল একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে তৈরি করে নিন একটি ফেসপ্যাক। ত্বক হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি জেল্লা ফেরাতেও কাজে লাগবে এই ফেসপ্যাক। ত্বকের ভিতরে জমে থাকা ময়লা ভালভাবে পরিষ্কার করার জন্য দুধের সর স্ক্রাবার হিসেবেও দারুণ কাজ করে। দুধের সর, গুঁড়ো দুধ, আর সামান্য কাঁচা দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করলে তফাত বুঝতে পারবেন অল্প দিনের মধ্যেই। 
  • ওটস ভাল করে গুঁড়ো করে নিন। এর মধ্যে মিশিয়ে নিন টকদই। আর দিন অল্প মধু। তিনটি উপকরণ ভালভাবে মিশিয়ে নিতে পারলে বাড়িতে একটাই উপকরণ তৈরি হবে যা ফেসপ্যাক, ফেস মাস্ক, স্ক্রাবার- তিনভাবে কাজ করতে পারবে। ওটস ত্বকের ডিপ ক্লিনিং অর্থাৎ গভীর স্তরে জমে থাকা নোংরা ভালভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ওটসের গুঁড়ো ত্বকে এক্সফোলিয়েশনের কাজও করে। ডেড স্কিন সেল ঝরিয়ে ত্বকের জেল্লা বজায় রাখে। 
  • মুলতানি মাটি, বেসন গুঁড়ো, গোলাপ জল একসঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে মুখে, গলায়, ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। মিনিট ২০ রাখলে ভালভাবে শুকিয়ে যাবে এই প্যাক। তারপর পরিষ্কার ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। টকদই, মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারলে, অল্পদিনের মধ্যেই ট্যানের সমস্যা মিটবে। গরমের দিনে ট্যানের কারণেই ত্বকে কালচে দাগছোপ পড়ে যায় দ্রুত। 

ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।