কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের কাছে এই মুহূর্তে মনে হয় সব থেকে আলোচিত বিষয় হল অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission)। বেতন বৃদ্ধি, পেনশনের পরিমাণ এবং অবসরকালীন আর্থিক সুরক্ষার বৃদ্ধি হওয়ার আশা নিয়ে লক্ষ লক্ষ কর্মচারী কমিশনের সুপারিশের অপেক্ষায় রয়েছেন। কেন্দ্র সরকার এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পক্ষগুলির মতামত ও দাবি জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও একবার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: EPFO 3.0 এলে মুহূর্তে PF তোলা যাবে UPI-তে, বড় ডিজিটাল বদলের পথে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড

অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন, ইউনিয়ন এবং পেনশনভোগী সংগঠনগুলির স্মারকলিপি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কমিশনের তরফে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এটাই চূড়ান্ত সময়সীমা এবং আগামীতে এই সময়সীমা আর বাড়বে না। সমস্ত প্রস্তাব শুধুমাত্র কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। হার্ড কপি, ই-মেল বা পিডিএফ আকারে পাঠানো নথি বিবেচনা করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

Continues below advertisement

২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে গঠিত অষ্টম বেতন কমিশনকে সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। আর সেই হিসেব দেখলে ২০২৭ সালের মাঝামাঝি এই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ হওয়া উচিত। এবং আশা করা হচ্ছে এই রিপোর্ট প্রকাশ হতে চলেছে আগামী বছরই। ইতিমধ্যেই কমিশন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মচারী সংগঠন, পেনশনভোগী প্রতিনিধি এবং সরকারি অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। বেতন, পেনশন, ভাতা এবং পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: শুধু কর জমা নয়, আয়কর রিটার্ন ফাইল করলে কী কী সুবিধা পাওয়া যায় জানেন কি?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সংশোধিত বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। ফলে সেই তারিখ থেকে বকেয়া বা এরিয়ার প্রাপ্য হবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য। আর এই অষ্টম বেতন কমিশনের বাস্তবায়নে যত বেশি দেরি হবে, কর্মচারীদের প্রাপ্য এরিয়ারের পরিমাণও তত বাড়বে।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের নজর এখন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। বেতন সংশোধনের পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ তা কত দ্রুত কার্যকর করা হয়। তাই আগামী কয়েক মাস অষ্টম বেতন কমিশনের অগ্রগতি ঘিরে আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।