জ্ঞানেশকাণ্ডে দেশজুড়ে প্রতিবাদে কংগ্রেস। কালকের মধ্যে CEC পদত্যাগ না করলে, বিক্ষোভ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি CJP-র। মুম্বই থেকে শুরু, ছড়াবে গোটা দেশে, হুঙ্কার অভিজিৎ দীপকের। বৃহস্পতিবারই জ্ঞানেশ কুমারকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছিল সিজেপি। আর এবার পোস্ট করে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগের ডেডলাইন বেঁধে দিলেন অভিজিৎ। এক্স পোস্টে দীপকে লিখলেন, 'যদি জ্ঞানেশ কুমার আগামীকালের মধ্যে পদত্যাগ না করেন, তাহলে সিজেপি ২ অক্টোবরমুম্বই থেকে দেশব্যাপী প্রতিবাদ শুরু করবে এবং তা ভারতের বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাবে। এই গান্ধী জয়ন্তীতে আসুন আমরা গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নিই।'
দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন ঘিরে তোলপাড় চলছে সারা দেশে। এই আবহে মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্য়াগের দাবিতে আন্দোলনে বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে জ্ঞানেশ কাণ্ডের প্রতিবাদ করে সিজেপি। তারা তিনটি দাবি সামনে রেখে দেশজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। তাদের প্রথম দাবি ছিল অবিলম্বে জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরু করতে হবে। সেই সঙ্গে জানাতে হবে , কে তাঁকে এই কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিল?
দ্বিতীয়ত, আসন্ন সমস্ত নির্বাচন স্থগিত করার দাবি জানানো হয়েছে । এসআইআর (SIR) স্থগিত করতে হবে। জানুয়ারি ২০২৫-এর ভোটার তালিকা পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়েছে সিজেপি। এসআইআর-এর সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার বিষয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি করা হয়েছে।
সেই সঙ্গে সিজেপির স্পষ্ট দাবি, ভারতের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটি বাতিল করতে হবে। সমাজের বিদ্বজনদের নিয়ে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হোক যা জনগণের আস্থা অর্জন করবে।
মুখ্য় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বিরাট প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বুধবারের প্রতিবেদন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম তোলা থেকে নাম বাদ দেওয়া, নতুন ভোটারের নাম তোলার ফর্ম বদল, ভোটার সংক্রান্ত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ সহ নানা বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধ ছিল। দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বুধবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সানধু এবং বিবেক জোশী। সেটা দু-একবার নয়, গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার! কিনতু, তাঁদের আপত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই রিপোর্ট সামনে আসতেই সরব হয় বিজেপি বিরোধী দলগুলি। যন্তর মন্তরের আন্দোলনের সাফল্যের পর আবারও এই ইস্যু নিয়ে পথে নামার হুঁশিয়ারি দিল সিজেপি।
