নয়াদিল্লি: চলছে রক্তক্ষয়ী লড়াই। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান যুযুধান। আক্রমণ - প্রতি আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত ভারতের দুই প্রতিবেশীই। আফগানিস্তানের মাটিতে পাক এয়ারস্টাইকের পাল্চা  জবাব দিতে শুরু করেছে আফগানিস্তান। একেবারে আগুন ঝরাচ্ছে তালিবান সেনা। এদিকে পাকিস্তানের দাবি আফগানিস্তানকে সবক শিখিয়েছে তারা। একেবারে শুরু হয়ে গিয়েছে ভীষণ যুদ্ধ। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। জানা যাচ্ছে , পাকিস্তানের ঘুম ওড়াতে তৎপর তালিবানের বিশেষ 'সুইসাইড' স্কোয়াড।  

Continues below advertisement

আফগানিস্তানে তালিবান প্রশাসন দাবি করেছে তাদের বিমান বাহিনী একাধিক পাকিস্তানি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অব্যর্থ হামলা চালিয়েছে। অস্ত্রবর্ষণ করা হয়েছে বিমান এবং ড্রোন থেকে। তারা হানা দিয়েছে রাজধানী ইসলামাবাদ এবং সামরিক সদর দপ্তর রাওয়ালপিন্ডিতেও । আকাশ থেকে আগুন ঝরাচ্ছে তারা, এমনটাই দাবি  করছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন। আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়  একটি বিবৃতি জারি করেছে। তার শুরুটা হয়েছে তাদের ধর্মীয় প্রার্থনা দিয়ে। তারপর বিবৃতিতে আফগানিস্তানের মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,তারা ইসলামাবাদের ফয়সালাবাদের কাছে একটি সামরিক শিবির, নওশেরার সেনা সেনানিবাস, জামরুদের সামরিক শহরে হামলা চালিয়েছে।

কাবুলের টোলো নিউজ জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার নোশের এলাকায় একটি সামরিক শিবির লক্ষ্য করে একটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। কাবুলের প্রতিরক্ষা বাহিনী গত রাতে মানবহীন বিমান ব্যবহার করে পাকিস্তানের  গুরুত্বপূর্ণ সামরিক  কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে। 

Continues below advertisement

তালিবানরা এই হামলাগুলিকে কাবুল, কান্দাহার এবং পাকতিয়ায় পাকিস্তানি বিমান "অনুপ্রবেশের" প্রতিশোধ হিসেবে দাবি করেছে। আফগানিস্তানের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তানের বহু-বহু সাধারণ লোক মারা গিয়েছে। যদিও কাবুল জোর দিয়ে বলছে যে অভিযানটি "সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে"।

কাবুলের এই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশের পর, সেখানকার টোলো নিউজ, বিধ্বস্ত ড্রোনের কিছু অংশের ছবি সামনে এনেছে। তাদের দাবি,  খাইবার পাখতুনখোয়ার নোশের এলাকায় একটি ড্রোন পাকিস্তানি সামরিক সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সামরিক শিবিরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। 

অন্যদিকে আবার  আফগানিস্তানের সরকারি নিউজ এজেন্সি ‘বখতর নিউজ’ এক চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাদের তরফে, ফিদায়েঁ যোদ্ধা বা সুইসাইড বোম্বার ব্যাটেলিয়ানের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বিস্ফোরক বোঝাই জ্যাকেট পরে  ফিদায়েঁ যোদ্ধাদের দেখা যাচ্ছে। ওই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নির্দেশ পেলেই গাড়ি বোমা ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যে আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে ।