সকাল সকাল ভয়ঙ্কর খবর। আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার ঘা শুকোতে না শুকোতেই আবার এক বিমান দুর্ঘটনার খবর দেশে। আর সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল মহারাষ্ট্র রাজনীতির অন্যতম কাণ্ডারী , জনপ্রিয় নেতা অজিত পাওয়ারের। তাঁর সব সহযাত্রীরও একই পরিণতি হল। অবতরণের সময় বিমানে আগুন, পরপর বিস্ফোরণ, ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে পড়ে রইল অবশেষটুকু। অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ' অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে আমি শোকস্তব্ধ। বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনায় উপ মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সহযাত্রীদের মৃত্যু হয়েছে। শরদ পাওয়ার-সহ অজিতের পরিবার, পরিজনকে সমবেদনা । ঘটনার যথোপযুক্ত তদন্তের হওয়া দরকার' । সোশাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকবার্তা প্রকাশ করার পাশাপাশি দিল্লি যাওয়াও স্থগিত করলেন ।
অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোকবার্তায় বলেছেন, 'মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অজিত পাওয়ারের বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক ও অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং সহযোগীদের পাশাপাশি সকলের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।'
ঘটনার শোকপ্রকাশ করে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, ' বারামতির কাছে এক বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী অজিত পাওয়ার জি-র মর্মান্তিক ও অকাল মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও দুঃখিত। শ্রী অজিত পাওয়ারজি মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একজন উজ্জ্বল নেতা ছিলেন। তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, পরিশ্রমী এবং জনগণের কল্যাণের প্রতি গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্যের উন্নয়নে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও কৃষিক্ষেত্রে, এবং মহাযুতি জোটকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এটি কেবল জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি এবং মহারাষ্ট্রের জন্যই নয়, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট এবং সমগ্র ভারতীয় রাজনীতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর পরিবার, বিশেষ করে পাওয়ার পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সহযোগী এবং অনুসারীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় প্রাণ হারানো বিমান দুর্ঘটনার অন্যান্য নিহতদের পরিবারের সাথেও আমার চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা। তাদের আত্মার চির শান্তি কামনা করি। ওম শান্তি।
