নয়া দিল্লি: 'অপারেশন সিঁদুর'-এ মাত্র ৩ ঘণ্টায় পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। চিনের দেওয়া পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্সকে এড়িয়ে এবং জ্যাম করে মাত্র ২৩ মিনিটে ভারতের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছে রাফাল, স্ক্যাল্প মিসাইল এবং হ্যামার বম্ব। আর এই প্রথম অপারেশন সিঁদুর নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অমিত শাহ। 

এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'পাকিস্তানে ১০০ কিমি ভিতরে ঢুকে প্রত্যাঘাত। শতাধিক পাক জঙ্গিকে মারা হয়েছে'। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে হুঙ্কার দিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, 'ভারতীয়দের ওপর জঙ্গি হামলা হলে, দ্বিগুণ জবাব'। শাহ বলেন, ভারতীয় বাহিনী জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈয়বার মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির ব্যবহৃত নয়টি স্থান সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এই স্থানগুলি মধ্যে পাকিস্তানের ১০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে অবস্থিত প্রশিক্ষণ শিবির এবং গোপন আস্তানা ছিল।'  

অন্যদিকে, দু'দিন আগেই শ্রীনগরে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসের মদতদাতা পাকিস্তানকে শুধুমাত্র হুঁশিয়ারি দিয়েই থেমে থাকেননি র প্রতিরক্ষামন্ত্রী, এরই সঙ্গে পাকিস্তানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা কতখানি নিরাপদ, তা নিয়েও তুললেন প্রশ্ন। অপারেশেন সিঁদুরের আগে বারবার ভারতকে পরমাণু অস্ত্রের হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু তারপর ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে মেরে এসেছে।

রাজনাথ সিংহ বলেছিলেন, 'আজ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের প্রতিজ্ঞা কতখানি কঠোর তা এই থেকেই বোঝা যায় যে, আমরা পাকিস্তানের নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেলেরও পরোয়া করিনি। গোটা দুনিয়া দেখেছে কেমন করে দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে পাকিস্তান ভারতকে অনেকবার পরমাণু হুমকি দিয়েছে। আজ শ্রীনগরের মাটি থেকে গোটা বিশ্বের সামনে আমি এই প্রশ্ন করতে চাই যে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন রাষ্ট্রের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা কি নিরাপদ? আমি মনে করি পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির নজরদারিতে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এটা আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই।'  

পাকিস্তানের এয়ারবেসে আঘান হানার সময় পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে কি না সেই জল্পনাও নানা মহলে তৈরি হয়েছিল। যদিও, এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনাও।