West Bengal Border :  দেশে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশ রোধে স্মার্ট বর্ডার চালু করবে কেন্দ্র। ত্রিপুরা, অসম ও পশ্চিমবঙ্গের সরকার অনুপ্রবেশ বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাই দেশের সীমান্ত পুরোপুরি সিল করে দিতে হবে।

Continues below advertisement

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়েছেন এই বার্তা

এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এবার সময় হয়ে এসেছে, বছরের পর বছর যে অনুপ্রবেশ চলে আসছে, সেটা আমাদের বন্ধ করতে হবে। BSF-এর অধীন যে ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত জায়গা থাকত, সেটা বাড়িয়ে আমরা ৫০ কিলোমিটার করে দিয়েছি। আর এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যেটুকু জমি দেওয়ার কথা ছিল, সেই জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, কিছু তো হস্তান্তরও করে দিয়েছে। এবার আমাদের দায়িত্ব, সেই কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

Continues below advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর ডবল ইঞ্জিন সরকার হওয়ার পর সংকল্প পত্রতে বলেছিল বিজেপি , পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা করা হবে, বারবারই জনসভাগুলিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই শুভেন্দু অধিকারীর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর একান্ত সাক্ষাৎ হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক পরিস্থিতি কী , তা আলোচনা হবে, তার সঙ্গে অন্য়ান্য ইস্যুগুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় ফিরে যাবেন।  ২ দিনের সফরে বৃহস্পতিবার রাতেই রাজধানী পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী।বিমানবন্দরে নামার পর তিনি সোজা চলে যান কৃষ্ণ মেনন মার্গে অমিত শাহর বাসভবনে। সেখানে ২ জনের মধ্যে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। 

শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের স্তবক ও 'বন্দেমাতরম' লেখা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছবি উপহার দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির জন্য ওঁকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই। অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনায় তিনি পুনরায় “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ”-এর দর্শনকে সামনে রেখে, আমাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কেন্দ্র সরকারের কাছে অন্যতম অগ্রাধিকারের বিষয়। পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পশ্চিমবঙ্গকে অগ্রগতির পথে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন, আমি ওঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা এবং বাংলার মানুষের আস্থা ও সমর্থনকে সঙ্গে নিয়ে আমরা পশ্চিমবঙ্গে স্বচ্ছ প্রশাসন, সুশাসন, সামগ্রিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আগামীদিনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।