Annamalai Criticizes BJP : এক সময় তার ওপর ভরসা করে দক্ষিণে পদ্ম ফোটানোর সংকল্প করেছিল বিজেপি। গেরুয়া ব্রিগেডের ডাকে IPS-এর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন দক্ষিণের এই দাপুটে নেতা। বিজেপি তাঁকে দিয়েছিল তামিলনাড়ুর রাজ্য সভাপতির পদ। যদিও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি সম্পর্ক। শেষে বিজেপি ছাড়তেই মোদি-শাহের গুজরাত মডেলের 'তুলোধনা' করলেন কে আন্নামালাই।
ঠিক কী বলেছেন এক সময়ের পদ্ম শিবিরের নেতা ?এক আলোচনাচক্রে 'উই দ্য লিডার্স মুভমেন্ট'-এর প্রতিষ্ঠাতা বলেছেন- প্রযুক্তি কোম্পানি, চিপসের কারখানার বিনিয়োগ ছাড়াও সব বড়-বড় ইভেন্ট চলে যাচ্ছে গুজরাতে। কেবল মোদি-শাহের রাজ্যের উন্নয়ন মডেল দেশের ডেভেলপমেন্ট মডেল হিসাবে উঠে আসছে। কেবল একটি রাজ্যেই এইসব হচ্ছে, দেশবাসীরা এগুলো দেখছে। এটা একেবারেই কাম্য নয়।
রাজ্য স্তরের নেতারা কেন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না এই বলেই অবশ্য় থেমে থাকেননি এক সময়কার 'বিজেপির ঘরের লোক'। দক্ষিণের এই দাপুটে নেতা বলেন, ''আমাদের মনে হয়েছে বিজেপির সব সিদ্ধান্ত দিল্লিকেন্দ্রিক। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এর পরিবর্তন হওয়া দরকার। বিজেপির উচিত, রাজ্য স্তরের নেতাদের হাতে বেশি ক্ষমতা দেওয়া। পরিস্থিতি বুঝে যাতে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন , সেই দিকে জোর দেওয়া উচিত।''
সব বিনিয়োগ গুজরাতে হচ্ছে কেন ?সোমবার সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের আলোচনচক্রে আন্নামালাই বলেন, সব AI ,ওয়েফার কোম্পানি ওখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস, ২০৩০-এর পুলিস গেমস, আহমদাবাদে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক গেমস সব গুজরাতে হবে কেন ? আপনি সারা ভারতের উন্নয়নের কথা বলে কেন কেবল একটি রাজ্য়কে এগিয়ে দেবেন ?
বড় সব বিনিয়োগ নিয়ে মহারাষ্ট্র-গুজরাতে তরজাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের ইতিহাস বলছে, একের পর এক বিনিয়োগ চলে গিয়েছে গুজরাতে। ২০২২ সালে বেদান্ত-ফক্সকন সেমিকন্ডাক্টর প্রোজেক্ট গুজরাতের জন্য় ঘোষণা করা হয়। এই বিনিয়োগ ছিল ১.৫৪ লাখ কোটির। যদিও শোনা যায়, এই প্রোজেক্টের জন্য আগে থেকেই কোম্পানিগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল মহারাষ্ট্র।
এখানেই শেষ নয়, পরবর্তীকালে টাটা এয়ারক্রাফ্ট C-295 প্রোজেক্টও বরোদার জন্য় দিয়ে দেওয়া হয়। রাজধানীর রাজনীতিতে শোনা যায়, এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় মহারাষ্ট্র। যদিও সরকারের তরফে এই বিষয়ে কোনও তরজার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : বিজেপিতে বড় ধাক্কা ! 'আমাকে ছেড়ে দিন', পদত্যাগপত্র পাঠালেন এই জাতীয় মুখপাত্র
