Uttar Pradesh News: মদ খেয়ে বাড়িতে ঝামেলা করতেন প্রৌঢ়। মদ ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ছেলে আর বউমা। তার জেরেই ছেলে, বউমাকে গুলি করে দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন অবসরপ্রাপ্ত হোমগার্ড।
রোজই বাড়িতে মদ খেয়ে ঝামেলা করতেন ওই ব্যক্তি। নিত্যদিনের অশান্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে প্রৌঢ়কে মদ ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তাঁর ছেলে এবং বউমা। আর তার জেরেই সটান গুলি চালিয়ে দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম হরি যাদব। শনিবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। তারপরই শুরু হয় বচসা। ক্রমশ কথা কাটাকাটি বাড়তে থাকে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন হরি। সেই সময়েই তাঁকে থামতে বলেন ছেলে-বউমা। পরামর্শ দেন ঝগড়া থামানোর এবং মদ খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার। আর তখনই নিজের লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক থেকে ছেলে এবং বউমার উপর গুলি চালান ওই ব্যক্তি।
জানা গিয়েছে, হরি যাদবের ছেলের নাম অনুপ যাদব, বয়স ৩৮ বছর। বুকে গুলে লাগে তাঁর। আর তাঁর স্ত্রী সুপ্রিয়া যাদবের বয়স ৩০ বছর। তাঁর বাঁ-হাতে এবং পেটে গুলি লেগেছে। প্রথমে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এই দু'জনকে। তারপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের রেফার করা হয়েছে বিআরডি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত হরি যাদবকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁর লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করা হলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকে হুজ্জতি করতেন হরি যাদব। অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। সেই থেকেই মদ খেতে বারণ করা হয় হরিকে। ঝগড়া, চেঁচামেচি, ঝামেলা, মারপিট বন্ধ করতে বলা হয়। তার পরই ছেলে এবং বউমার উপর রাগে গুলি চালিয়ে দেন ওই ব্যক্তি।
কয়েকদিন আগেই গোরক্ষপুরে আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এক সরকারি কর্মচারী গুলি করেছেন এক তরুণী এবং তাঁর বোনকে। ওই তরুণীর বাড়িতে ঢুকেই এই কাণ্ড ঘটান ওই সরকারি কর্মচারী। জানা গিয়েছে, তরুণীকে ভালবাসতেন এই সরকারী কর্মচারী। কিন্তু তরুণী অন্য একজনের সঙ্গে বাগদান সেরে নিয়েছিলেন। আর সেই রোষেই ওই তরুণী এবং তাঁর বোনকে তাঁদের বাড়িতে ঢুকেই গুলি করেন ওই ব্যক্তি। তারপর নিজেকেও গুলি মারেন তিনি। সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই তিনজন।