প্রয়াগরাজ: অযোধ্য়ার রামমন্দিরে এবার বোমা রয়েছে বলে এল হুমকি। ইমেলে হুমকি দিয়ে চিঠি এসেছে। সেই নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রামমন্দির ট্রাস্টের তরফে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সাইবার সেল বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে হুমকির জেরে রামমন্দির চত্বরের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে চলছে কড়া নজরদারি।
সোমবার রাতে ইমেল মারফত রামমন্দিরে বোমা রয়েছে বলে হুমকি আসে। বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মন্দির উড়িয়ে দেওয়া হতে পারে বলে হুমকি দেওয়া হয় চিঠিতে। 'রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টে'র ইমেলে হুমকির চিঠি আসে বলে বলে জানা গিয়েছে। রামমন্দির চত্বরের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো উচিত বলে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, তামিলনাড়ু থেকে হুমকি-চিঠিটি এসেছে। ইংরেজিতে লেখা হয়েছে হুমকিবার্তা। (Ram Temple Threat Mail)
রামমন্দির ট্রাস্ট ছাড়াও বরাবাঁকি এবং চন্দৌলীর জেলাশাসকও হুমকি চিঠি পেয়েছেন। তাঁদেরও বোমা বিস্ফোরণের হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে ইমেলে। অযোধ্যায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক নাকা-তল্লাশি শুরু হয়েছে। রীতিমতো চিরুণি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই হুমকি চিঠির নেপথ্যে কে আছে, তা খতিয়ে দেখছে সাইবার বিভাগ। একটি দুর্নীতির ঘটনা থেকে নজর ঘোরাতে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে হুমকি চিঠিতে। (Ayodhya Ram Temple)
রামমন্দির ট্রাস্টের তরফে অযোধ্য়া থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই মুহূর্তে রামমন্দিরকে ঘিরে অযোধ্যায় চার কিলোমিটার বিস্তৃত একটি দেওয়াল গড়ে তোলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণেই ওই দেওয়ালের নির্মাণ। ১৮ মাসের মধ্যে দেওয়াল নির্মাণের কাজ শেষ হবে। রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারপার্সন নৃপেন্দ্র মিশ্র দেওয়াল নির্মাণের কথা জানিয়েছেন সবাদমাধ্যমে।
সংবাদমাধ্যমে নৃপেন্দ্র বলেন, "ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেড রামমন্দিরের নিরাপত্তা প্রাচীরটি তৈরি করবে। প্রাচীরের উচ্চতা, প্রস্থ, নকশা, সব ঠিক হয়ে গিয়েছে। মাটি পরীক্ষার পর নির্মাণকার্য শুরু হবে।" আগামী ছ'মাসের মধ্যে রামমন্দিরের নির্মাণও সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গত বছর ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামমন্দিরের শুভ উদ্বোধন হয়। রামলালা অর্থাৎ রামচন্দ্রের শিশুকালের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠায় অংশ নেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন মহলের বিশিষ্টজনেরাও সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।