পথ নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কীকরণ চলে প্রায় সব জেলাতেই। কিন্তু আইনের প্রণেতা নিজেই যদি আইন ভাঙেন। মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় এই নিয়েই বেঁধে গেল ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ। বিভিন্ন চেকপয়েন্টে  মোতায়েন ছিল পুলিশ। তখন পুলিশ এক হেলমেট ছাড়া বাইকচালককে থামায়। সেই সঙ্গে থামানো হয় করেরার বিধায়ক রমেশ খটিকের ভাই ভাগচন্দ্র খটিকের বাইকও।

Continues below advertisement

কী অভিযোগ        

দুজনের কারও মাথাতেই ছিল না হেলমেট। তাদের ধরতেই পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, বিধায়কের ভাই ক্ষমতার আস্ফালন করতে থাকেন। পথ নিরাপত্তা আইন না-মানার ঘটনায় পুলিশের ধরপাকড়কে কেন্দ্র করে একেবারে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। সেই সংঘর্ষের ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। 

Continues below advertisement

কী নিয়ে বচসা              

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা নাগাদ পুলিশ অফিসাররা নারওয়ার থানার বাইরে চেক পোস্ট করে তল্লাশি চালাচ্ছিস। ভাইরাল ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, পুলিশ ওই দুই ব্যক্তিকে ধরায় অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযোগ, বিজেপি বিধায়কের ভাই কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের  হুমকি দিতে থাকেন।তারপর শুরু হয়ে যায় মারামারি । অভিযোগ এই ঘটনায় পুলিশ কর্মীদের কর্তব্যে বাধা দেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক এবং করেরার বিধায়ক রমেশ খটিকের ভাই ভাগচন্দ্র খটিক।

কী বলছে পুলিশ ?               

পুলিশ সূত্রে খবর, ভাগচন্দ্র খটিক তার এক সঙ্গীর সঙ্গে মোটরবাইকে চেপে চেকপয়েন্টে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তার ও সহযোগীর বাইক থামায়। সেখানে ভাগচন্দ্রও থামেন। পুলিশের দাবি, সঙ্গীর বাইক থামাতেই থামেন  ভাগচন্দ্রও। তিনিও হেলমেট ছাড়াই বাইক চালাচ্ছিলেন।পুলিশ তাকে জরিমানা করার কথা বলতেই বচসা বাঁধে।  কনস্টেবল পারমল কুশওয়াহা ভাগচন্দ্রের বাইকের চাবি নিয়ে থানার দিকে চলে যান। তখনই চটে যান বিজেপি বিধায়কের ভাই। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। অভিযোগ ভাগচন্দ্র  কনস্টেবলকে মেজাজ দেখিয়ে বলেন, ওই মোটরবাইক তার বাড়িতে দিয়ে যেতে। পুলিশকর্মীও পরিষ্কার জানিয়ে দেন, বাইক থানাতেই থাকবে। কনস্টেবল বলেন, "চাপ দিও না। আমি কারোর দাস নই... আমি জনসাধারণের দাস" । পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে,   ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করেন । উভয় পক্ষকে থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে, ঘটনাস্থলেই বিষয়টির সমাধান করা হয় । অনলাইন চালান ইস্যু করা হয়।