এর ফলে রাজ্যগুলি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) বিলোপ সহ তিনটি দানবীয় কৃষি আইনের কৃষকবিরোধী বিধিব্যবস্থাকে নাকচ করতে পারবে, কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যায়, অবিচার থেকে কৃষকদের দুর্দশা মোচন করা যাবে বলেও জানান বেনুগোপাল। ঘটনাচক্রে কংগ্রেসশাসিত রাজ্যগুলির অন্যতম পঞ্জাবের কৃষকরা কেন্দ্রের কৃষিবিলের বিরুদ্ধে ফুঁসছে। খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ জানিয়েছেন, তাঁরা কৃষিবিলগুলির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। তবে পাল্টা কেন্দ্রের দাবি, নতুন বিলগুলি আইন হওয়ার পর কৃষকরা মিডলম্যান, ফড়ে-দালালদের কব্জা থেকে রেহাই পাবেন, তারা লাভজনক দামে যে কোনও জায়গায় তাদের কৃষিপণ্য বিক্রির সুবিধা পাবে। আজ কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধীও দাবি করেন, কেন্দ্রের কৃষি সংক্রান্ত আইনগুলি কৃষকদের কাছে মৃত্যু পরোয়ানার সামিল। কৃষকদের কণ্ঠস্বর দমন করা হচ্ছে সংসদের ভিতরে, বাইরে। ভারতে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটেছে, এটাই প্রমাণ হচ্ছে। কংগ্রেসের দাবি, কৃষি আইনগুলি প্রত্যাহার করতে হবে কারণ তাতে চাষিদের কোনও উপকার হবে না। তারা বড় চাষি, বেসরকারি সংস্থাগুলির হাতের পুতুলে পরিণত হবে। কেন্দ্রের কৃষি আইন নাকচ করতে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলিকে নতুন আইন আনার নির্দেশ সনিয়ার
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 28 Sep 2020 10:20 PM (IST)
ঘটনাচক্রে কংগ্রেসশাসিত রাজ্যগুলির অন্যতম পঞ্জাবের কৃষকরা কেন্দ্রের কৃষিবিলের বিরুদ্ধে ফুঁসছে। খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ জানিয়েছেন, তাঁরা কৃষিবিলগুলির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন।
নয়াদিল্লি: দেশব্যাপী কেন্দ্রের তিনটি কৃষিবিলের বিরুদ্ধে কৃষক সমাজের প্রতিবাদ, আন্দোলনের মধ্যেই কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী নিজের দলের শাসিত রাজ্য সরকারগুলিকে নতুন আইন আনার নির্দেশ দিলেন যা কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষিসংক্রান্ত আইনের প্রয়োগ ঠেকাবে। সোমবার একথা জানান কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা কে সি বেনুগোপাল। তিনি ট্যুইট করেন, মাননীয় কংগ্রেস সভানেত্রী কংগ্রেসশাসিত রাজ্য় সরকারগুলিকে নিজ নিজ রাজ্যে সংবিধানের ২৫৪ (২) অনুচ্ছেদের আওতায় আইন পাশ করা যায় কিনা, সেই সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বলেছেন। ওই অনুচ্ছেদে রাজ্য বিধানসভা আইন পাশ করতে পারে যা কোনও কেন্দ্রীয় আইনকে খারিজ করতে পারে, এবং তারপর সেটি রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য় যাবে।