Actor Arya Banerjee death: অভিনেত্রী আরিয়ার ঘরভর্তি রক্তমাখা টিস্যু, ইদানীং বন্ধ করে দেন হেপাটাইটিস বি-র চিকিৎসা
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 12 Dec 2020 11:58 AM (IST)
পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন বাইরে থেকে খাবার আনালেও, তা খাননি দেবদত্তা। পাশাপাশি, বাড়ির একতলা ও দোতলার দরজা বন্ধ থাকলেও খোলা ছিল ছাদের দরজা।
কলকাতা: যোধপুর পার্কের বাড়িতে অভিনেত্রী দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যুতে নতুন তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন খাটে বসে মধু মিশিয়ে ওয়াইন খাচ্ছিলেন দেবদত্তা। খাটের উপর মিলেছে পানমশলার প্যাকেট। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে চিকিত্সা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি। যার থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে, একবছর আগে হেপাটাইটিস বি-তে আক্রান্ত হন অভিনেত্রী। ভুগছিলেন কিডনির সমস্যায়। কিন্তু বছরখানেক ধরে চিকিত্সা করাচ্ছিলেন না দেবদত্তা। ঘর থেকে মিলেছে টিস্যু পেপার। তাতে রক্তের দাগ। পুলিশ জানতে পেরেছে, মাঝেমধ্যেই নাক-মুখ থেকে রক্ত পড়ত অভিনেত্রীর। পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন বাইরে থেকে খাবার আনালেও, তা খাননি দেবদত্তা। পাশাপাশি, বাড়ির একতলা ও দোতলার দরজা বন্ধ থাকলেও খোলা ছিল ছাদের দরজা। শুক্রবার এই বাড়িতেই উদ্ধার হয় অভিনেত্রী দেবদত্তা ওরফে আরিয়া বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃতদেহ। লেক থানার পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকার কাছ থেকে ফোন পেয়ে অভিনেত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিনেত্রী দেবদত্তার বাবা বিখ্যাত সেতার শিল্পী প্রয়াত নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩ তলা পৈতৃক বাড়িতে একাই থাকতেন অভিনেত্রী। অভিনয় করেছেন লাভ সেক্স অউর ধোঁকা, ডার্টি পিকচারের মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে। পরিচারিকার দাবি, শুক্রবার সকালেএসে ডাকাডাকি করলেও গেট খোলেননি অভিনেত্রী। মোবাইল ফোনেও মেলেনি সাড়া। তিনি বলেন, আগের দিন রাতে রান্না করতে বারণ করেছিলেন অভিনেত্রী। খবর পেয়ে লেক থানার পুলিশ এসে ৩ তলার ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার করে অভিনেত্রীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ৩ তলার একটি ঘরের ভিতর থেকে পোষা কুকুরের চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। অন্য আরেকটি ঘরে টিভির সামনে পড়ে একাধিক মদের বোতল। দুটি বোতল অর্ধেক খালি। পাশেই পড়ে রয়েছে একটি গ্লাস।তবে কি অভিনেত্রীর ঘরে রাতে আর কেউ ছিলেন? মদের আসর বসেছিল কি? উঠে আসছে এমন প্রশ্ন। প্রতিবেশীদের মতে, অভিনেত্রী যখন তখন আসতেন যেতেন। বিশৃঙ্খল জীবন যাপন করতেন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য এসএসকেএম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে বোঝা যাবে মৃত্যুর কারণ।