কলকাতা: রাতের শহরে আবার আক্রান্ত পুলিশ। একদিকে লেকটাউনে মার খেলেন কর্তব্যরত ট্র্যাফিক পুলিশ আবার সল্টলেকে আক্রান্ত তিন সিভিক ভলান্টিয়ার। তাঁদের মধ্যে একজনের চোট গুরুতর। ভিআইপি রোডের লেকটাউন।রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। লেকটাউনের কাছে বাঙুর মোড়ে ডিউটি করছিলেন লেকটাউন ট্র্যাফিক গার্ডের এএসআই সুনীল কর্মকার। বাঙুরের ভেতর থেকে আসা একটি মারুত সুজুকি গাড়ি সিগন্যাল ভেঙে বিমান বন্দরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে বাধা দেন এ এস আই। গাড়ি থেকে নেমে আসেন চালক। অভিযোগ লাইসেন্স চাইতে বচসা শুরু করেন সঞ্জয় রায়চৌধুরী নামে ওই ব্যক্তি। এএসআইকে ধাক্কা দিতে শুরু করেন। বিপদ বুঝে ওয়াকিটকি দিয়ে লেকটাউন ট্র্যাফিক গার্ডে খবর দেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে বিরাট পুলিশ বাহিনী এসে আক্রান্ত এএসআইকে উদ্ধার করে। গ্রেফতার হন অভিযুক্ত। লেকটাউনে যখন এই ঘটনা ঘটছে তখন কয়েকঘণ্টার মধ্যে সল্টলেকে আবার আক্রান্ত পুলিশ। সল্টলেকের এসি ব্লক। রাত দেড়টা নাগাদ সাদা পোশাকে এলাকায় ঘুরছিলেন তিন সিভিক ভলান্টিয়ার। এই ব্লকের বাসিন্দা তাপস মুখোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকেই এই তিন জনকে দেখতে পান। তাঁর সন্দেহ হয় চুরির উদ্দেশে এই তিন জন ঘুরছে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাবি, তাঁরা ওই ব্যক্তিকে জানিয়েছিলেন তাঁরা সিভিক ভলান্টিয়ার। এমনকি পরিচয়পত্রও দেখানো হয় বলে দাবি। তারপরও তিনজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। পরে পুলিশি ত‍ৎপরতায় গ্রেফতার হন তাপস মুখোপাধ্যায়। শুধু লেকটাউন বা সল্টলেক নয় কয়েকদিনের মধ্যে বার বার আক্রান্ত পুলিশ। সেই তালিকায় এবার যুক্ত লেকটাউন আর সল্টলেক।