কলকাতা: বিশ্ববাংলা বিতর্কে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। সেই সঙ্গে বুধবার বিধানসভায় নাম না করে বাম-কংগ্রেসকেও আক্রমণের পথে হাঁটলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বিধানসভায় মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলাদা আলাদা করে মুলতুবি প্রস্তাব এনে আলোচনার দাবি জানায় বাম ও কংগ্রেস। অধ্যক্ষ প্রস্তাব পাঠের অনুমতি দিলেও আলোচনার দাবি খারিজ করে দেন। এরপরই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বাম ও কংগ্রেসের বিধায়করা। সারাদিনের জন্য বিধানসভা বয়কটও করেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের সময়ও বিরোধীরা কেউ অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না। এতেই ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী।নাম না করে প্রদেশ কংগ্রেসের উদ্দেশে তিনি বলেন, তৃণমূলের সমর্থন ছাড়া সংসদে তোমরা এক পা-ও নড়তে পারো না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে বিজেপির কাছে যাও। দিল্লিতে সহযোগিতা চাইবে আর এখানে বয়কট! এসব কাগজে ছবি ছাপানোর জন্য করা হচ্ছে। এখানে যা দেখাবে, দিল্লিতে তাই দেখবে। বিরোধীদের ওয়াকআউট নিয়েও এদিন ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধীশূন্য বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে তিনি কারও নাম না করেই বলেন, তোমার কিছু বলার থাকলে বিধানসভায় এসে বলো। বিধানসভার বাইরে কেন? আমি বক্তৃতা দিতে এলে কোনও না কোনও ইস্যুতে বিধানসভা বয়কট হয়। ৫ বছর ধরে এসব দেখছি। আসলে আপনাদের কোনও শক্তি নেই। গণতন্ত্রের প্রতি ভদ্রতা করুন। আমরা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বা সিপিএম নই, যে ২৩৫ আর ৩০-এর কথা বলব। সিপিএম অবশ্য অতীতের প্রসঙ্গ টেনে পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে। বামফ্রন্ট পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, উনি অতীত ভুলে যাচ্ছেন। বনধ, ধ্বংসের সূচনা ওর করা। বিধানসভায় সম্মিলিত কর্মসূচিতে অংশ নিলেও, সবং বিধানসভা উপ নির্বাচনে কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেসের জোট হয়নি।