কলকাতা: স্বস্তির বৃষ্টি বয়ে আনল অস্বস্তির খবর। ঢাকুরিয়ায় চারতলা বাড়ির ২টি বারান্দা ভেঙে এক বৃদ্ধার মৃত্যু। অন্যদিকে তপসিয়ায় বাড়ির কার্নিশ ভেঙে মৃত্যু এক যুবকের। বৃষ্টির মধ্যে সোমবার বিকেল চারটে নাগাদ ঢাকুরিয়ার ৩২ নম্বর পঞ্চাননতলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি পুরনো বহুতলের ২টি বারান্দা। দুর্ঘটনার সময় চারতলার বারান্দায় ছিলেন কমলা চট্টোপাধ্যায় নামে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা। তিনতলার বারান্দায় ছিলেন সুনীতা সাউ নামে ৫০ বছরের এক মহিলা। চারতলার বারান্দা ভেঙে তিনতলার বারান্দার ওপর পড়লে ভেঙে পড়ে সেটিও। গুরুতর আহত অবস্থায় কমলা চট্টোপাধ্যায় ও সুনীতা সাউকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় বৃদ্ধার। খবর পেয়ে আসে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন, বিপর্যয় মোকাবিলা দল। আসেন শাসক দলের মন্ত্রী, বিধায়করা। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। বহুতলটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বাসিন্দাদের সরিয়ে দেন দমকলকর্মীরা। কেআইটি-র কাছ থেকে ৯৯ বছরের লিজে নেওয়া বহুতলটিতে বাস ২৪টি পরিবারের। ১৩ টি পরিবার অন্যত্র থাকলেও, বর্তমানে রয়েছে ১১টি পরিবার। এই পরিবারগুলি সহমত না হওয়ার ফলেই পুরনো বাড়িটির সংস্কার করা যায়নি বলে দাবি পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর। আহত সুনীতা সাউ-এর চিকিৎসা চলছে স্থানীয় হাসপাতালে। খালি করে দেওয়া হয়েছে বাড়ির বিপজ্জনক অংশ। অন্যদিকে, তিলজলা থানার তপশিয়া রোডের একটি বাড়ির কার্নিশ ভেঙে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। নরেশ ঠাকুর নামে ওই যুবক বৃষ্টির পর ওই বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখনই ভেঙে পড়ে কার্নিশটি। মাথায় গুরুতর চোট পান নরেশ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।