উত্তরাখণ্ড: ফের ভয়াবহ দুর্ঘটনা উত্তরাখণ্ডে। আবারও ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী হেলিকপ্টার। উড়ানের কিছু ক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায় সেটি। পরে খবর আসে, চামোলির কাছে ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টার। বদ্রীনাথ ধাম থেকে ফেরার পথে ঘটে এই বিপত্তি। খারাপ আবহাওয়ার জেরেই এই দুর্ঘটনা বলে অনুমান করছে সেখানকার প্রশাসন। (Helicopter Crash in Uttarakhand)
বদ্রীনাথ থেকে ফেরার পথে শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার জোশীমঠের কাছে ট্রান্স ভারত এভিয়েশন পরিচালিত একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে। প্রাথমিক সূত্রে খবর, পাইলট সহ মোট ৬ জন যাত্রী ছিলেন বিমানটিতে। ৬ জনেরই মৃত্যুর আশঙ্কা। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চামোলি জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বদ্রীনাথ থেকে দেহরাদুনের দিকে যাওয়ার সময় খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রথমে নিখোঁজ হয়ে যায় একটি হেলিকপ্টার। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই জেলা প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর দুটি দল তল্লাশি অভিযান শুরু করে। পরে খবর আসে ছ’জনকে নিয়েই ভেঙে পড়ে সেটি। হেলিকপ্টারটিতে পাঁচ জন যাত্রী এবং একজন পাইলট ছিলেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিও এক্স-এ একটি পোস্ট করে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, জেলা প্রশাসন, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (NDRF), স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (SDRF) যৌথভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। তিনি ক্রমাগত পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে, ত্রিযুগীনারায়ণ এবং গৌরিকুণ্ডের মাঝে রুদ্রপ্রয়াগে ভেঙে পড়ে একটি হেলিকপ্টার। সেই কপ্টারের পাইলট সহ ৭ জনই মারা গিয়েছিলেন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে কপ্টারটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় বলে খবর পাওয়া যায়। স্থানীরা দাবি করেছিলেন, পাহাড়ি এলাকায় উড়ানের সময় হেলিকপ্টারে চারজনের বেশি যাত্রী তোলা উচিত নয়। কিন্তু এক্ষেত্রে দুর্ঘটনাগ্রস্ত কপ্টারটিতে সাত যাত্রী ছিলেন। মৃতদের মধ্যে মহারাষ্ট্রের ইয়াবাতমালের এক পরিবার ছিলেন। একই পরিবারের তিন জন মারা গিয়েছিলেন। রাজকুমার, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে কাশীর মৃত্যু হয়েছিল। তাঁরা কেদারনাথ দর্শন সেরে ফিরছিলেন।
